কানাডা তার নাগরিকদের জন্য অবশেষে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রযুক্তি নির্ভর ইলেক্ট্রনিক পাসপোর্ট বা ই-পাসপোর্টের প্রচলন শুরু করেছে। উন্নত ও স্বল্পন্নোত দেশসহ বিশ্বের শতাধিক দেশ অনেক আগে থেকে ই-পাসপোর্ট ব্যবহার করে আসছে। পাসপোর্ট আধুনিকীকরণের এই প্রকল্পটি হাতে নেয়া হয়েছিল এক দশক আগে।
সূত্র জানায়, পাসপোর্ট ফি থেকেই নিজস্ব বাজেটে কানাডার পাসপোর্ট সেবা পরিচালিত হয়। ২০০৪ সালে অটোয়ার জাতীয় নিরাপত্তা নীতিমালার আওতায় ই-পাসপোর্ট প্রকল্প হাতে নেয়ার পর কেন্দ্রীয় সরকার বাজেটে আলাদা অর্থ বরাদ্দ করে। কিন্তু ই-পাসপোর্ট প্রচলিত পাসপোর্টের চেয়ে অনেক বেশি ব্যয়বহুল হওয়ায় কানাডার পাসপোর্টধারী নাগরিক এবং ভ্রমণকারীদের বাড়তি ফি প্রদান করতে হবে। প্রচলিত জাতীয় পাসপোর্টের জন্য কনাডিয়ানদের ফি হিসেবে দিতে হয় ৮৭ ডলার, যার মেয়াদ পাঁচ বছর। কিন্তু পাঁচ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের ফি ১২০ ডলার। ১০ বছর মেয়াদি ই-পাসপোর্টের ফি ১৬০ ডলার। নতুন ধরনের পাসপোর্ট চালু করা হলেও কানাডিয়ানদের এখনই পুরনো পাসপোর্ট বদলে ফেলতে হবে না। পাসপোর্টের মেয়াদ শেষ হলে পরই তাদের জন্য ই-পাসপোর্ট গ্রহণ বাধ্যতামূলক হবে।
