একজন নারীর জন্যে সিএ পড়া অনেকটা চ্যালেঞ্জিং মনে করে জাফরিন। তার মতে, এক্ষেত্রে প্রচুর অধ্যয়নের পাশাপাশি শ্রমও দিতে হয়। আমাদের দেশের নারীদের এ বিষয়টিতে আরো স্বতঃস্ফূর্ত হওয়া দরকার। ভবিষ্যতে শিল্প উদ্যোক্তা হতে চাওয়া জাফরিন এরই মাঝে শেষ করেছে বিসিক থেকে বেশকিছু কর্মশালা। এ থেকে তার মনে হয়েছে, এ দেশের মানুষ বিশেষ করে নারী ও তরুণীরা অনেক বেশি মেধাবী। সঠিক দিকনির্দেশনা আর তত্ত্বাবধান পেলে তারা অবশ্যই অনেক সফলতা বয়ে আনবে। তার মতে নারীর অধিকার প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে নারীর পড়াশুনার পাশাপাশি অবশ্যই অন্যান্য সামাজিক, রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ইত্যাদি বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। কারণ পুরুষ শাসিত সমাজের প্রতিটি ক্ষেত্রেই তারা আমাদের আলাদা করে রেখেছে। আমাদের নিজ গুণেই এসব আদায় করে নিতে হবে। নারীর অগ্রযাত্রায় যারা ধর্মের দোহাই দেয়, তারা অবশ্যই ধর্মজ্ঞান রাখে না, কিংবা ধর্মের অপব্যাখ্যা দেয়। ধর্ম যদি মানবিকতার কথা বলে, তবে অবশ্যই ধর্ম নারীর অধিকার নিশ্চিতের কথাও বলবে।
