মানব হিতৈষীদের তালিকায়ও এগিয়ে তারা

আপডেট : ১৪ জুলাই ২০১৩, ২০:০২
ঝ্যাং জিং, প্রতিষ্ঠাতা সোচো চায়না ফাউন্ডেশন ওয়েস্টার্ন চীনের দরিদ্রতম অংশের মানুষদের জন্য ২০০৫ সালে স্বামীর সঙ্গে প্রতিষ্ঠা করেন সোচো চায়না ফাউন্ডেশন। এই ফাউন্ডেশনের সেবার ক্ষেত্র মূলত দরিদ্র মানুষদের জন্য স্বাস্থ্যসম্মত পায়খানা, বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া মেয়েদের বৃত্তি প্রদান এবং শিশু সহায়তা। ফাউন্ডেশনের ভাষ্যমতে সংস্থাটি ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৬১ হাজার শিশুকে পড়ালেখায় সহায়তা দিয়েছে। ফোর্বস বিশ্বমানব-হিতৈষীদের তালিকায় ঝ্যাং জিং-এর অবস্থান দ্বিতীয়। -- টেটসুকো কুরায়ানাগি, প্রতিষ্ঠাতা টোটো ফাউন্ডেশন ১৯৮১ সালে তার সর্বোচ্চ বিক্রীত বই ‘টোটো-চান:দ্যা লিটল গার্ল অ্যাট দ্যা উইন্ডো’-এর অর্জিত আয় দিয়ে প্রতিষ্ঠা করেন টোটো ফাউন্ডেশন। জাপানী ভাষাসহ ৩৫টি ভাষায় অনূদিত এই বই সর্বমোট বিক্রি হয়েছিল ৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন কপি। বধির অভিনয় শিল্পীদের প্রশিক্ষণ দিয়েই ফাউন্ডেশনের কার্যক্রম শুরু হয়েছিল। ১৯৮৪ সালে ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে নিয়োগ পান টেটসুকো কুরায়ানাগি। গিনেজ বুক অব রেকর্ড খেতাবপ্রাপ্ত বিশ্বের সবচেয়ে বেশি সময় ধরে চলা টেলিভিশন টকশো ‘টেটসুকোস রুম’র উপস্থাপিকা কুরায়ানাগি ফোর্বস বিশ্ব-মানবহিতৈষীর তালিকায় ষষ্ঠ স্থান দখল করেছেন।