বাজেটে চা আমদানির শুল্ক কমানোর পর নিলামে চায়ের মূল্য পড়তে শুরু করেছে। গত প্রায় আট মাস ধরে চায়ের বাজার ছিল ঊর্ধ্বমুখী। কিন্তু চলতি আর্থিক বাজেটে চায়ের আমদানির ওপর শুল্ক শতকরা ২০ ভাগ কমানোর ফলে চায়ের বাজারে ব্যাপক প্রভাব পড়েছে।
টি ট্রেডার্স এসোসিয়েশনের নেতৃবৃন্দ জানান, গত কিছু দিন ধরে চায়ের বাজার নিম্নমুখী। এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি আবদুল হাই চৌধুরী জানান, ইতিপূর্বে বাজারে যে ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা ছিল তা এখন স্থিতিশীল অবস্থায় পৌঁছাবে বলে তার ধারণা। তিনি আমদানির ওপর শুল্ক আরো কমালে মূল্য আরো কমবে বলে মন্তব্য করেন। তিনি জানান, আমদানি শুল্ক কমানোয় পার্শ্ববর্তী দেশ থেকে চোরাই পথে চা আসাও বন্ধ হবে। দেশে চা-এর উত্পাদন বছরে প্রায় ৬ কোটি কেজি। তবে চাহিদা তার তুলনায় ৫ থেকে ১০ শতাংশ বেশি। এই অতিরিক্ত চা আমদানি করে মেটানো হয়ে থাকে। কিন্তু দেশীয় ১৫৮টি চা বাগানের স্বার্থের কথা চিন্তা করে বিগত ২০১২-১৩ অর্থবছরের বাজেটে ৮৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছিল। কিন্তু দেখা গেছে এতে প্রতি কেজি চা-এর দাম প্রায় ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে যায়। অপরদিকে আমরা দেখতে পাই চাল, ডাল, তেল, চিনিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের ওপর নামমাত্র শুল্ক রয়েছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ৮৭ শতাংশ শুল্কারোপ করায় উত্পাদনকারীরা আমদানি করা চায়ের মূল্যের সাথে দেশীয় চায়ের মূল্যও বাড়িয়ে দেয়। কিন্তু এখন আমদানি শুল্ক কমানোর সাথে সাথে দাম কমাতে বাধ্য হয়েছেন তারা। এতে করে ভোক্তারা সুবিধা পাচ্ছেন।
