আজ ১৬ জুলাই সাংবাদিক শামছুর রহমানের ১২তম হত্যাবার্ষিকী। ২০০০ সালের ১৬ জুলাই রাতে দৈনিক জনকণ্ঠের যশোর অফিসে কর্মরত অবস্থায় আততায়ীর গুলিতে নিহত হন সাহসী এই সাংবাদিক। গত আট বছর ধরে শামছুর রহমান হত্যা মামলার কার্যক্রম স্থগিত রয়েছে। এ কারণে এই হত্যাকাণ্ড বা বিচারব্যবস্থা নিয়ে মামলার বাদী ও নিহতের স্ত্রী সেলিনা আকতার লাকি কথা বলতে চান না। স্বামী হত্যার বিচার চাইতে চাইতে তিনি এখন ক্লান্ত। বিচার না পেয়ে ক্ষুব্ধ সাংবাদিক, সুশীল সমাজের সকলেই।
২০০৫ সালের জুলাই মাসে বাদী নিহতের স্ত্রী সেলিনা আকতার লাকিকে না জানিয়ে মামলাটি খুলনার দ্রুত বিচার আদালতে স্থানান্তর করা হয়। ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাসে লাকি হাইকোর্টে আপিল করে বলেন, মামলার অন্যতম আসামি খুলনার চিহ্নিত সন্ত্রাসী মুশফিকুর রহমান হিরক পলাতক রয়েছে। এই মামলার অন্য আসামিদের সঙ্গে খুলনার সন্ত্রাসীদের সম্পর্ক রয়েছে। ফলে তার পক্ষে খুলনায় গিয়ে সাক্ষ্য দেয়া ঝুঁকিপূর্ণ। এর পরিপ্রেক্ষিতে আদালত মামলাটি কেন যশোরে ফিরিয়ে দেয়া হবে না তার জন্য সরকারের উপর রুল জারি করেন। এরপর থেকে থমকে আছে মামলাটি। গত একযুগে এ নিয়ে অনেক দৌড়েছেন শামছুর রহমানের স্ত্রী। কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। তিনি বলেন, একজন সাংবাদিকের হত্যার বিচার না পেয়ে আমরা হতাশ।
