প্রিয় কচি-কাঁচার আসরের বন্ধুরা, প্রথমেই জানালাম অগণিত শুভেচ্ছা। আমি কচি-কাঁচার আসর নিয়মিত পড়ি। একটানা পড়তে বসে কোন সংখ্যা শেষ করতে না পারলে আমার মনটা আনচান করে ওঠে। প্রথম প্রথম ভাবতাম, সকালের খবরের ছুটির ঘণ্টা কিংবা কালের কণ্ঠের টুনটুন টিনটিন এর মত কোন শিশু-কিশোর সাময়িকী আর হয়তো পাওয়া দুষ্কর। কিন্তু যখন থেকে কচি-কাঁচার আসর দুই পৃষ্ঠায় সাড়ম্বরে প্রকাশিত হতে থাকল, তখন আমার ধারণা সম্পূর্ণ ভুল প্রমাণিত হলো। এখন কচি-কাঁচার আসরই আমার সবচেয়ে প্রিয় কিশোর পাতা। আমার খুব কাছের বন্ধু চয়ন। দুই বছর আগে আমার লেখালেখি দেখে সেও লেখালেখির দিকে ঝুঁকে পড়েছিল এবং বেশ কিছু ছড়া-কবিতা লিখে ফেলে অন্যান্য সহপাঠীদের অজান্তেই। এগুলো পাঠাতে শুরু করে বিভিন্ন পত্র-পত্রিকায়। কিন্তু কোনটাই ছাপানো হয়নি। সে হতাশ হয়ে পড়ে। লেখালেখি থেকে হাত গুটিয়ে নেয় এবং পড়াশোনায় মনোযোগী হয়ে পড়ে। বেশ কয়েক মাস আগে তার লেখাগুলো ভাগ্যক্রমে আমার হাতে চলে আসে। আমি সেগুলো পড়ে দেখেছি। বেশ ভালোই লিখেছে। তার জীবনবৃত্তান্ত জানা থাকায় তাকে না জানিয়েই দু’জনে কচি-কাঁচার আসরের সদস্য হয়েছি। পাঠাবো পাঠাবো করে শেষমেষ তার ও আমার দু’টি লেখা পাঠালাম। যদি এই লেখাগুলো ছাপানো হয় তবে চয়ন লেখালেখির প্রতি আবার ঝুঁকে পড়বে আশা করি এবং দু’জনে এক সাথে লেখালেখি চালিয়ে যেতে পারবো। সবশেষে কচি-কাঁচার আসর হয়ে উঠুক সবার লেখালেখির হাতেখড়ির ইশকুল।
ইয়াসির আরাফাত নিশান, সদস্য নম্বর: ৩২৮৩
