উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ব্যাপকভাবে শিরীষ গাছের মড়ক শুরু হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, প্রথমে গাছের আগার ডাল শুকাতে শুরু করে। পরে ধীরে ধীরে গাছের গোড়া পর্যন্ত শুকিয়ে মরে যায়। এ ব্যাপারে সামাজিক বনবিভাগ ও কৃষি বিভাগের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা এই মড়কের কারণ সম্পর্কে সঠিক কোন তথ্য দিতে পারেনি।
অভিজ্ঞমহলের ধারণা, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দক্ষিণ খুলনার নদ-নদীতে মাত্রাতিরিক্ত লবণাক্ততা বৃদ্ধি পাওয়ায় বিরূপ প্রতিক্রিয়ার ফলে অন্যান্য গাছের সাথে শিরীষ গাছও মরে যেতে পারে। অথচ বটিয়াঘাটা উপজেলার গাগড়ামারীতে লবণাক্ততা ও মৃত্তিকা জরিপ বিভাগের একটি অফিস বিদ্যমান। খুলনা কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক আব্দুল আজিজ ইত্তেফাককে জানান, বিষয়টি দেখার দায়িত্ব সামাজিক বনায়ন বিভাগের। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ বুদ্ধদেব সেন বলেন, আমি নিজেও জানিনা কি কারণে শিরীষের মড়ক শুরু হয়েছে।
