ঈদকে সামনে রেখে তেমনি সেজেছে কর্ণফুলি গার্ডেন সিটি শপিং সেন্টারের চতুর্থ তলায় রাজকন্যা নামের শাড়ি ও সালোয়ার-কামিজের আউটলেটটি। নান্দনিক ডিজাইনের পোশাকের জন্য এই প্রতিষ্ঠান সবার কাছেই প্রিয়। আমাদের এবারের আয়োজনে উঠে এসেছে রাজকন্যার পোশাকের সমাহারের কথা। লিখেছেন খালেদ আহমেদ
ও ছবি তুলেছেন জাহাঙ্গীর আলম
সময়কে ধরতে প্রতিটি ফ্যাশন হাউস নিজেদের ডিজাইনে আনছে নতুনত্ব। আর তা যদি হয় ঈদের মৌসুম তবে তো কথায় নেই! কীভাবে নিজেদের নান্দনিক পোশাকের সমাহার ঘটানো যায়, তাই নিয়েই ব্যস্ত থাকে প্রতিটি ফ্যাশন হাউস ও পোশাক বিক্রির প্রতিষ্ঠানগুলো। এ ধারায় নিত্য নতুন ডিজাইনের পোশাক দিয়ে ইতোমধ্যেই ক্রেতাদের মন জয় করছে রাজকন্যা নামের পোশাকের প্রতিষ্ঠানটি। এখানে শুধুমাত্র মেয়েদের পোশাক পাওয়া যায়। তার মধ্যে শাড়ি ও সালোয়ার-কামিজের জন্য এই পোশাকের প্রতিষ্ঠানটি বেশ জনপ্রিয়। শাড়ির মধ্যে রয়েছে মারারা থ্রিপিচ ও শাড়ি টাঙ্গাইলের তাঁত, জামদানি, সিফন, নেট, কাতান, রিয়েল স্টোনের কাজ এবং বোম্বে ও পাকিস্তানি ডিজাইনের নান্দনিক কিছু শাড়ি। শাড়ির মূল্য ক্রেতাসাধারণের ক্রয়সীমার মধ্যেই রয়েছে। বিভিন্ন ডিজাইনের শাড়ির দাম ৪ হাজার থেকে ৩০ হাজার টাকা। এ ছাড়া সব বয়সের মেয়েদের উপযোগী সালোয়ার-কামিজ পাওয়া যায় এখানে। সেলাইসহ এবং সেলাই ছাড়া বানানোর সুবিধাসহ ঋতুভিত্তিক রং এবং ডিজাইন থ্রি-পিসের মধ্যে রয়েছে—জামদানি, সিল্ক, কটন, নেট। আরও আছে পাকিস্তানি সানা সাফিনা, লাখানি, দাউদ, সিফনের মধ্যে ফেঞ্চি, স্টোনের কাজ, হ্যান্ডওয়ার্ক, রোজি প্যাটেল, জুলিয়া, রিভা এবং সুতির মধ্যে রেশম সুতার কাজ। এসব থ্রি-পিসের দাম ১৫ শ থেকে ১২ হাজার টাকা। রাজকন্যার স্বত্বাধিকারী ও প্রধান ফ্যাশন ডিজাইনার মনোয়ারা খান বলেন, ‘দীর্ঘ দিন ধরেই আমি পোশাক শিল্পের সাথে জড়িত। আমার প্রতিষ্ঠানের যাত্রা শুরু হয় শাড়ি দিয়ে। পরে সালোয়ার-কামিজ যোগ হয়। ছোটবেলা থেকেই আমার ফ্যাশনের প্রতি ঝোঁক ছিল। তাই পোশাকের ব্যবসাকে বেছে নিই। এই হাউসের পোশাকের ডিজাইন করি নিজেই। তবে আমাকে সহযোগিতা করার জন্য আরও কয়েকজন ডিজাইনার আছেন। আমরা সবসময়ই পোশাকের ডিজাইনের বিষয়ে বর্তমানের ট্রেন্ডকে ফলো করি। ডিজাইনের ক্ষেত্রে প্রাধান্য দেওয়া হয় উত্সবকে। সেই সাথে পুরো বছরের জন্য থাকে নানা নান্দনিক ডিজাইন। এসব পোশাকের ডিজাইনে বাঙালির বিভিন্ন ঐতিহ্যকে তুলে ধরা হয়েছে। আমার স্বপ্ন একটাই—পোশাকের মাধ্যমে দেশীয় ফ্যাশনকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া।’
