বাঙালির কাবাবপ্রিয়তা সুবিদিত। আর রমজান মাসে ইফতারের আয়োজনে তা ভালো করেই চোখে পড়ে। কত রকম কাবাবই না বানান রাজকীয় মোগল-পাঠান রসুইঘরের ঐতিহ্য কিছুটা হলেও টিকিয়ে রাখা এ নগরের রন্ধনশিল্পীরা! সুতি কাবাব, টিক্কা কাবাব, চিকেন রেশমি কাবাব—বাহারি এত সব কাবাবের পাশাপাশি নানান দেশি বিদেশি খাবারের সমারোহ নিয়ে বনানী ১১-তে যাত্রা শুরু করল কাবাব জোন। ঘুরে এসে লিখেছেন সাজেদুল ইসলাম শুভ্র ও ছবি তুলেছেন দীপঙ্কর দীপু
বাঙালির রসনা বিলাসে পছন্দের তালিকায় যে নামটি সবার মনে প্রথমেই আসে তা হচ্ছে কাবাব। ভোজন বিলাসীদের জিভে জল এনে দিতে রমজানকে সামনে রেখেই যাত্রা শুরু করল ঢাকায় কাবাবের বিশেষায়িত এই রেস্টুরেন্টটি। কাবাব জোন গড়ে উঠেছে মনোরম এক পরিবেশে বেশ বড় পরিসর নিয়ে। এখানে বিশ্ব সেরা শেফ দ্বারা তৈরি হয় নানা ধরনের ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের কাবাব। এখানে কাবাবের স্বাদ আপনাদের মন তো ভোলাবেই সাথে এর আশপাশের মনোরম পরিবেশও নজর কাড়বে নিঃসন্দেহে। দোতলা বিশিষ্ট এই জোনটির নিচে আছে কাবাবের আয়োজন এবং উপরে থাকছে আইসক্রিম পার্লার। কাবাব জোনে আগতরা নিজেদের ইচ্ছে অনুযায়ী যেকোনো জায়গাতে বসতে পারবেন।
নাম শুনেই বুঝতে পারছেন যেহেতু এটা কাবাব জোন তাই মূল খাবার হিসেবে এখানে রয়েছে ভিন্ন স্বাদের কাবাব এবং খাবারের মেন্যুতে রয়েছে প্রায় একশ রকম খাবারের আইটেম। এখানে কাবাবের পাশাপাশি পাবেন ডেজার্ট, ড্রিংক সুইজারল্যান্ড বিখ্যাত মুভেনপিক আইসক্রিম। আর মুভেনপিকের এই বারটা কিন্তু যেনতেন নয়। খোদ মুভেনপিকের কর্মীরাই তদারকি করেন তাদের আইস্ক্রিমের মান আর যাবতীয় সব কিছু। রয়েছে তাদের সেরা কফিও। কাবাব খেতে এসে শেষটায় বসে পড়ুন এখানে। অন্যরকম এক মোহে আবিষ্ট করে ফেলবে আপনাকে। মূলত রমজান মাসকে সামনে রেখেই কাবাব জোনের উদ্বোধন করা হলো। রমজান উপলক্ষে তারা আয়োজন করেছে নানান রকম মুখরোচক খাবারের সমাহার। ইফতারির সময়ে বৈচিত্র্যময় খাদ্য ও সেবা মিলবে এখানে। আপনি চাইলে ৬০০ থেকে ৭৩০ টাকায় পেয়ে যাবেন বক্স। এভাবে ছোটখাটো ইফতার পার্টিও করা যাবে এখানে। সব মিলিয়ে শ দেড়েক লোক সমাগম হতে পারে একসাথে। আর এ রকম পার্টি করার জন্য কিন্তু আপনাকে বাড়তি টাকাও গুনতে হবে না।
এ ক ন জ রে
প্রতিষ্ঠাতা :আনোয়ার হোসেন বেলু ও মেহেদী হাসান
কোথায় :বাড়ি-১০২, রোড-১১, ব্লক-সি, বনানী, ঢাকা-১২১৩, ফোন :৯৮২২২২০
কবে যাবেন :সপ্তাহে সাতদিনই সকাল ১১টা থেকে রাত ১২টা, ইফতার দুপুর ৩টা থেকে ইফতার অবধি।
পরিচালকের ভাষ্য :মেহেদী হাসান জানান, তাদের খাবারে মানের উপর জোর দিয়েছেন অনেক। আফগানিস্তান ও মধ্যপ্রাচ্যের খাবারও তারা আনবেন শিগগিরই। পাকিস্তানি রন্ধনশিল্পীর হাতের ছোঁয়ায় তা পৌঁছে দেওয়া হবে দেশীয় খাবারপ্রেমীদের কাছে।
