ন্যাচার গ্রুপের বিজ্ঞানভিত্তিক জার্নালে প্রকাশিত এক রিপোর্টে বলা হয়েছে আর্সেনিক সমৃদ্ধ মাটিতে উত্পাদিত চালের মাধ্যমে ক্যান্সার হতে পারে। পানীয় জলের মাধ্যমে মানবদেহে আর্সেনিক প্রবেশের বিষয়টি সবার জানা থাকলেও এবার চালের মাধ্যমে প্রবেশের বিষয়টি নতুন সতর্ক বার্তা নিয়ে এসেছে।—খবর ডন ডটকম।
ব্রিটেনের ম্যানচেস্টার ইউনিভার্সিটির গবেষকরা এবং ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অব কেমিক্যাল বায়োলজির বিজ্ঞানীরা পশ্চিম বাংলার বিভিন্ন গ্রামের ৪১৭ জনের ওপর করা এক গবেষণা থেকে এর সুনির্দিষ্ট প্রমাণ পেয়েছেন। গবেষণায় অংশ নেয়া প্রত্যেকের থেকে তাদের খাদ্যাভাস সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। এদের বেশিরভাগই দৈনিক আধাকেজি পরিমাণ ভাত খান। গবেষকরা তাদের মূত্রের নমুনা সংগ্রহ করে তা যাচাই করে আর্সেনিক উপস্থিতির প্রমাণ পান।
গবেষণায় বলা হয়, আর্সেনিকের কারণে ডিএনএর ক্ষুদ্রতম একক মাইক্রোনিউক্লি তার স্বাভাবিক কার্যাবলি অনুযায়ী তার অনুলিপি তৈরি করতে পারে না। ফলে কোষ বিভাজনের মাধ্যমে নতুন কোষ তৈরির সময় এর জেনেটিক্যাল কোডিং পরিপূর্ণতা পায় না। ঠিকমতো জেনেটিক্যাল কোডিং সম্পন্ন না হলে তা কোষের অস্বাভাবিক বিভাজনের মাধ্যমে ক্যান্সারে রূপ নেয়।
গবেষণায় ব্রিটিশ অংশের প্রধান হিসাবে কাজ করছেন ম্যানচেস্টার স্কুল অব আর্থ এন্ড ইনভেরনমেন্ট সাইন্সের অধ্যাপক ডেভিড পোলিয়া এবং ভারতীয় অংশের প্রধান হিসাবে কাজ করছে অশোক ঘিরি।
