স্বপ্ন এখন দুঃস্বপ্নে পরিণত হয়েছে দেলদুয়ারের নাল্লাপাড়াবাসীর। দীর্ঘ প্রায় ৩০ বছর যাবত্ দেলদুয়ারের নাল্লাপাড়াবাসী স্বপ্ন দেখছেন নাল্লাপাড়ায় এলেংজানী নদীর উপর একটি ব্রীজ নির্মাণের। তাদের এই স্বপ্ন বার বার আশা জাগালেও বাস্তবে রুপ দিতে পারেনি।
সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে ব্রিজটি নির্মাণের জন্য প্রায় দুই যুগেরও বেশি সময় পূর্বে দরপত্র আহবান করা হয়। স্থানীয় একজন ঠিকাদার ব্রিজটি নির্মাণের কাজ পান। কিন্তু চুক্তি অনুযায়ী পিলার তৈরি না করায় উক্ত ঠিকাদারের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। পরবর্তীতে দরপত্র আহবান করা হলেও মামলাজনিত কারণে তা আলোর মুখ দেখেনি। ১৯৯৬ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসলে দরপত্র আহবান না করে বিএনপি’র স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্রিজটি নির্মাণের জন্য ভিত্তিপ্রস্তর ফলক উন্মোচন করেন। পরবর্তীতে ২০০১ সালে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় আসলেও আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত স্থানীয় সংসদ সদস্য ব্রিজটি নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দেন। কিন্তু কোন প্রতিশ্রুতিই কাজে লাগেনি। অথচ নাল্লাপাড়ায় এলেংজানী ব্রিজটি নির্মাণ খুবই জরুরী। নদীটি দেলদুয়ারের এলাসিন ও দেউলী ইউনিয়নসহ পশ্চিমাঞ্চলকে বিভক্ত করে রেখেছে। নাল্লাপাড়ায় প্রতি সপ্তাহে হাট ও প্রতিদিন বাজার বসে। পাশেই বৃহত্ স্কুল ও কলেজ। নদীটির পশ্চিম পাশে রয়েছে একটি কলেজ, বহু স্কুল, মাদ্রাসা ও অন্যান্য প্রতিষ্ঠান। ফলে প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাতে মারাত্মক সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। অতিরিক্ত পথ পাড়ি দিয়ে আটিয়া হয়ে যানবাহনে এসব অঞ্চলের সাথে যোগাযোগ করতে হয়। ব্রিজটি নির্মাণ হলে দেলদুয়ারের পশ্চিমাঞ্চলের সাথে সরাসরি যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে উঠবে। এ ব্যাপারে স্থানীয় সংসদ সদস্য খন্দকার আবদুল বাতেন বলেন, ব্রিজটি নির্মাণের জন্য একনেকে পাঠানো হয়েছে। পাস হলেই কার্যক্রম শুরু হবে।
