জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব, জলাশয় ভরাট, পোনামাছ নিধন, কারেন্ট জালের ব্যবহারসহ বিভিন্ন কারণে রংপুরের গঙ্গাচড়ায় মাছের উত্পাদন দিন দিন কমছে। গঙ্গাচড়ায় ৩ হাজার টন মাছের চাহিদা থাকলেও উত্পাদন হচ্ছে ১ হাজার টন। ২ হাজার টন মাছের ঘাটতি রয়েছে। উপজেলা মত্স্য অফিস সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
দিন দিন খাল-বিল ভরাট হয়ে যাচ্ছে। লোকজন বসতবাড়ি করছে। মাছের জায়গায় তৈরি করা হচ্ছে আবাসন কেন্দ্র। জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবের কারণে এলাকার খাল-বিল, নদী-নালা শুকিয়ে যাচ্ছে। ফলে মাছের উত্পাদন ক্রমশ কমছে। তাছাড়া সরকারি নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করে পোনা মাছ নিধন, ডিমওয়ালা মাছ মারা এবং যত্রতত্র কারেন্ট জালের ব্যবহার মাছের উত্পাদন ব্যাহত করছে। এ ব্যাপারে সরকারি কর্তৃপক্ষের সেরকম কোন পদক্ষেপ না থাকায় ক্ষতিকর কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে লোকজন। স্থানীয় লোকজন জানান, আগে স্থানীয় পুকুরগুলোতে সারাবছর ধরে মাছ চাষ হতো। আর এখন বছরের অর্ধেক সময় পানি থাকে, বাকি সময় খাল-বিল শুকিয়ে যায়। তাই এ কারণে মাছের ঘাটতি হচ্ছে প্রতি বছর।
উপজেলা মত্স্য কর্মকর্তা রেজাউল কবীর বলেন, উপজেলায় ৩ হাজার টন মাছের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু উত্পাদন হচ্ছে ১ হাজার টন। বিরূপ আবহাওয়া এর জন্য দায়ী বলে তিনি জানান। তিনি আরো বলেন, বছরের বেশিরভাগ সময় জলাশয়ে পানি থাকে না। ফলে উত্পাদন কম হচ্ছে। তবে মাছের উত্পাদন বৃদ্ধির জন্য বিভিন্ন স্থানে অভয়াশ্রম করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।
