পবিত্র মাহে রমজানে সারাদিন অভুক্ত থাকার কারণে শরীরে যতটা সমস্যা হবার কথা তা হয় না বরং বহু ক্ষেত্রে রোজা আত্মশুদ্ধি ছাড়া শারীরিক ও মানসিক শুদ্ধি করে যথেষ্ট পরিমাণ। এ ব্যাপারে বিশিষ্ট পুষ্টিবিদ গ্লোরিয়া ফিরুঙ্গির অভিমত: রোজাদারগণের শরীর থেকে ক্ষতিকর টক্সিন বের হয়ে যায়, রক্তের শর্করা বা সুগার কমে, হ্রাস পায় বাড়তি ফ্যাট। সর্বোপরি রোজাদারগণের স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভাস গড়ে ওঠে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে। পুষ্টিবিদগণ আরও মনে করেন এ সময় রোজাদারগণ যথেষ্ট পরিমাণ পানি পান ও তাজা ফল, খেজুর ও সবুজ শাক-সবজি আহার করেন। ফলে এতে একদিকে যেমন খাদ্য সচেতনতা বাড়ে অন্যদিকে শরীর প্রয়োজনীয় খাদ্যশক্তি বা ক্যালরিও পায়। এছাড়া ভিটামিন ও প্রয়োজনীয় খনিজ লবণও শরীর যথেষ্ট পরিমাণ স্টোর করতে বা জমা রাখতে পারে। এছাড়া গবেষণায় দেখেছেন রোজাদারগণের অফুরন্ত মানসিক শক্তির কারণে অভুক্ত থাকার সময় ছোট-খাটো শারীরিক সমস্যা হলেও তা মানিয়ে নেন। লেখক : চুলপড়া, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ।
