নবজাত রাজপুত্রকে নিয়ে বাড়ি ফিরলেন কেট মিডলটন

আপডেট : ২৪ জুলাই ২০১৩, ২২:৪৫
নবজাতককে নিয়ে সেন্ট মেরিস হাসপাতাল ছেড়ে রাজপ্রাসাদে ফিরলেন প্রিন্স উইলিয়াম ও কেট। হাসপাতাল ছাড়ার সময় সাদা কম্বলে মোড়া নবজাতককে নিয়ে অপেক্ষমাণ উত্সুক জনতার সামনে দাঁড়ান তরুণ দম্পতি। রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ রাজপুত্রকে দেখতে কেনসিংটন প্রাসাদে যান। খবর বিবিসি ও এএফপি’র।মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৭ টা ১৩ মিনিট রাজশিশুকে নিয়ে হাসপাতালের বাইরে আসেন রাজ দম্পতি। এ সময় বাইরে অপেক্ষমাণ উল্লসিত জনতার উদ্দেশে হাত নাড়েন উইলিয়াম ও কেট। কেটের কোল থেকে সন্তানকে নিজের কোলে তুলে নিয়ে উইলিয়াম বলেন, তার ছেলে দেখতে কেটের মতোই হয়েছে। তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যত্ রাজার নাম নিয়ে চিন্তা-ভাবনা চলছে। যত দ্রুত সম্ভব তার নাম ঠিক করা হবে। হালকা নীল রঙের ওপর ফোঁটা ফোঁটা বল প্রিন্টের একটা পোশাক পরে উইলিয়ামের পাশেই দাঁড়িয়েছিলেন কেট। নিজের টাক মাথা নিয়েও বেশ কৌতুক করেন উইলিয়াম। ডিউক বলেন, ঈশ্বরকে ধন্যবাদ যে, ওর মাথায় ভালোই চুল হয়েছে। লালন-পালনে কার কি দায়িত্ব এ নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে উইলিয়াম বলেন, আমরা এরই মধ্যে কাজ শুরু করেছি। এ সময় পাশে থেকে কেট বলে ওঠেন, হ্যাঁ প্রথম ন্যাপি পরানোর কাজটি ওই করেছে। রাজদম্পতি বেশ কিছুটা সময় সাংবাদিক ও উপস্থিত জনতার সঙ্গে কাটান। এরপর তারা রাজপ্রাসাদের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। অল্প সময়ের মধ্যেই রাজশিশুকে নিয়ে কেনসিংটন প্যালেসে পৌঁছান রাজদম্পতি। রাজপ্রাসাদের আশপাশেও অপেক্ষমাণ ছিলেন বিপুলসংখ্যক নারী-পুরুষ। রাণী দ্বিতীয় এলিজাবেথ কেনসিংটন প্রাসাদে নতুন রাজকুমারকে দেখতে যান। এ সময় তার স্বামী ডিউক অব এডিনবরা প্রিন্স ফিলিপ তলপেটের অপারেশনের কারণে আসতে পারেননি। এছাড়া প্রিন্স হ্যারি এবং পিপ্পা মিডলটনও কেনসিংটন প্রাসাদে পুত্রকে দেখতে যান। নবজাতকের নাম কী দেওয়া হবে তা নিয়ে গভীর আগ্রহে গোটা দেশের মানুষ। কয়েকটি সম্ভাব্য নাম নিয়ে আলোচনা চলছে, তবে রাজপরিবার এখন পর্যন্ত এ নিয়ে একেবারে চুপ। জল্পনা-কল্পনার শীর্ষে রয়েছে ‘জর্জ’ নামটি। এরপর আরও যে দুটি নামের কথা বলা হচ্ছে তা হল জেমস আর আলেকজান্ডার। রাজপুত্রের জন্মের খবরে বাকিংহাম প্রাসাদের সামনে মানুষের উচ্ছ্বাস। তবে যেটা আগে থেকেই জানা তা হলো রাজপুত্রের টাইটেল হবে প্রিন্স অব কেমব্রিজ অর্থাত্ কেমব্রিজের রাজপুত্র। তার বাবা অর্থাত্ উইলিয়ামের পদবি, ডিউক অব কেমব্রিজ আর মা ক্যাথরিনের পদবি ডাচেস অব কেমব্রিজ। ব্রিটেনে যদি রাজতন্ত্র টিকে থাকে, তাহলে নবজাত এই রাজপুত্র হবে বিশ্বের সবচেয়ে সুপরিচিত রাজতন্ত্রের তিন নম্বর উত্তরাধিকারী। সে কারণেই আজীবন ব্রিটেনের গণমাধ্যমের গভীর আগ্রহের কেন্দ্রে থাকতে হবে তাকে। গণমাধ্যমের সামনে থেকে একটা বয়স পর্যন্ত ছেলেকে আগলে রাখাই হবে বাবা উইলিয়াম এবং বা কেটের অন্যতম প্রধান চ্যালেঞ্জ।