তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত
প্রকাশে সাহায্য নিতে
পারেন জনপ্রিয়
ওয়েবসাইট
ফেসবুকের।
তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে
লগ ইন করুন www . facebook . com / torun.kontho
প্রতিদিনের
তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্
প ড়া র ব ই
কথামালা
লেখক :সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজ
বইয়ের কথা :বাংলা ভাষার অগ্রগণ্য কথাসাহিত্যিকদের মধ্যে সৈয়দ মুস্তাফা সিরাজের নামটি উল্লেখযোগ্য। এক জীবনে অসংখ্য বই লিখেছেন। ‘অলীক মানুষ’-এর লেখক হিসেবেও তিনি খ্যাত। গল্প, উপন্যাস, কর্নেল সিরিজ কিংবা প্রবন্ধের বাইরেও তিনি নানা রকম লেখা লিখেছেন। ‘কথামালা’ তেমনই এক গ্রন্থ, যেখানে তার মৌলিক লেখার বাইরে আটপৌরে ও ফরমায়েশি কিন্তু দরকারি রচনার সমন্বয় ঘটেছে। এমনই অনেক কথামালা থেকে ৬২টি নির্বাচিত রচনার সংকলন ‘কথামালা’।
কেন পড়বেন :তার লেখায় বরাবরই নিজস্ব স্বকীয়তার পরিচয় পাওয়া যায়। জীবনমুখী এই রচনা সবাইকে উজ্জীবিত করবে নিঃসন্দেহে।
দে খা র ছ বি
ফাতিহ ১৪৫৩
ছবির কথা :ফাতিহ তুর্কি শব্দ, এর অর্থ ইংরেজিতে ‘কনকোয়েস্ট’। ১৪৫৩ সালে টানা ৫৭ দিন অবরোধের পর তুর্কি এই বীরের কনস্টানটিনোপোল (আজকের ইস্তাম্বুল) জয়ের কাহিনী নিয়ে তুর্কিরা তৈরি করেছে তাদের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এপিক সিনেমা—‘ফাতিহ ১৪৫৩’। বলা হচ্ছে, তুর্কিসহ বিশ্বের মুসলমানদেরকে অনুপ্রাণিত করার উদ্দেশ্যেই এই ধরনের সিনেমা নির্মাণ। তুরস্কের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এই সিনেমার ঐতিহাসিক সত্যতা নিয়ে খুব বেশি প্রশ্ন উঠেনি, এর কাহিনীতে ইতিহাসকে অনুসরণ করা হয়েছে।
কেন দেখবেন :মুসলমানদের রণকৌশল, প্রযুক্তিজ্ঞান, সামরিক বাহিনীর দক্ষতা, ঐক্য ইত্যাদির মাধ্যমে ৫০০ বছর আগে মুসলমানদের গৌরবময় এক অধ্যায়ের সাথে পরিচিত করে দেওয়ার এই চেষ্টা প্রশংসনীয়।
গুণীজন
রাজা রামমোহন রায়
রাজা রামমোহন রায় ১৭৭২ সালে হুগলী জেলার রাধানগর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন এক সম্ভ্রান্ত কুলীন ব্রাহ্মণ বংশে। তরুণ বয়সে তিনি কলকাতায় মহাজনের কাজ করতেন। ১৭৯৬ সালে রামমোহন অর্থোপার্জন শুরু করেন। ১৮০৩ থেকে ১৮১৪ সাল পর্যন্ত রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির কর্মচারী ছিলেন। কোম্পানির কাজে ডিগবীর অধীনে তিনি দেওয়ানরূপে রংপুরে কাজ করেন ১৮০৩ থেকে ১৮১৪ সাল পর্যন্ত। এই সময়ের মধ্যে তিনি দু’বার ভুটান সীমান্তে যান কোম্পানির হয়ে দৌত্যকার্যে ডিগবীর সাহচর্যে তার সমস্ত নতুন চিন্তা এই সময়ের মধ্যেই পরিপক্বতা লাভ করে। রামমোহন রায় একেশ্বরবাদে বিশ্বাস করতেন। এই বিশ্বাস থেকে তিনি ব্রাহ্মসমাজ ও ব্রাহ্মধর্ম প্রতিষ্ঠা করেন।
কে না কা টা
ঈদ কার্ড
উপহার পেতে কার না ভালো লাগে! আর তা যদি হয় ঈদের, তবে তো কথাই নেই। ঈদ মানেই খুশি। সময়ের সাথে তাল মিলিয়ে ঈদ কার্ডে লেগেছে নতুনত্বের ছোঁয়া। অন্যান্য বছরেরর মতো এবারও ঈদ উপলক্ষে নানা ধরনের ঈদ কার্ড বের হয়েছে। দেশি-বিদেশি রকমারি ডিজাইনের ঈদ কার্ডে ছেয়ে গেছে দোকানগুলো। এসব কার্ড খুললেই শুভেচ্ছার বাণী ভেসে ওঠে। বাংলা ও ইংরেজিতে লেখা হাজারো ছকে মনের না বলা অনুভূতিই প্রকাশ করা হয়েছে এসব ঈদ কার্ডে। বাজারে সর্বনিম্ন ৫ টাকা থেকে শুরু করে আড়াই হাজার টাকার কার্ডও আছে। তবে ৫০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা দামের মধ্যে কার্ডের বিক্রি বেশি। দেশের সব প্রোডাক্ট হাউসই এবার কমবেশি ঈদ কার্ড বাজারে ছেড়েছে। ডাইকাট, অ্যাম্বুশ, জরি লাগানো, পলিপ্যাক করা নানা ধরনের কার্ড আছে। হাতে কাজ করা পাথর বসানো কারুকাজ খচিত ঈদ কার্ডও আছে।
গ্রন্থনা :সাজেদুল ইসলাম শুভ্র
