সেরা প্রকৌশলীর কাতারে আসতে

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৩, ১৬:৫৮
অ্যারোপ্লেন ইঞ্জিনিয়ার এমন একজন সার্টিফিকেট প্রাপ্ত ব্যক্তি যিনি অ্যারোপ্লেনের সমস্ত প্রকৌশল, প্রযুক্তি এবং উড্ডয়ন গতিবিধি বিদ্যায় পরোপুরি অভিজ্ঞ। সাধারণত আমাদের দেশে বুয়েট বা অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাস করে যেসব ইঞ্জিনিয়াররা বের হন তাদের পড়ার বিষয় অনুযায়ী কর্মক্ষেত্র নির্ধারিত হয়ে থাকে। একইভাবে সব ধরনের উড়োজাহাজের প্রকৌশলগত কর্মকাণ্ড নির্বাহ করার জন্য যে ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষাব্যবস্থা। এদিক দিয়ে এডেক্সেলের দেওয়া অ্যারোপ্লেন প্রকৌশল ডিগ্রি অর্থাত্ অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত যা সম্পন্ন করা যাচ্ছে এদেশ থেকেই। এই ডিগ্রির সাথে একজন শিক্ষার্থী হয়ে ওঠেন আন্তর্জাতিক ধারার পেশাদার। যার বেতন, জীবনযাত্রার মান এবং অন্যান্য সুবিধাবলি হয়ে থাকে আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের। যেমন, নতুন অবস্থায় একজন কর্মীর বেতন হয়ে থাকে ২০০০ ইউরো। ইউরোপিয়ান অ্যাভিয়েশন সেফটি এজেন্সি ইএএসএ পি-৬৬ এয়ারক্রাফট পরিচালনা সনদ এএমএল সারা পৃথিবীতে স্বীকৃত। এই ধারায় বাংলাদেশকে আরও একধাপ এগিয়ে নেওয়ার জন্য সেই যুক্তরাজ্যের শিক্ষাবোর্ড বিটেক এডেক্সলের আন্ডারে কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজি যাত্রা শুরু করে, যার সেন্টার কোড :৯৩১৪২। কলেজটি ন্যাশনাল এবং হায়ার ন্যাশনাল ডিপ্লোমা ইন অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্স পরিচালনা করছে। কলেজটির প্রথম দ্বিতীয় ব্যাচের কয়েক শ শিক্ষার্থী ইংল্যান্ড, আমেরিকা, কানাডা, জার্মান, আয়ারল্যান্ডসহ উন্নত বিশ্বে চাকরি বা ইন্টার্নি করতে চলে গেছে। তৃতীয় ব্যাচের শিক্ষার্থীরা যেতে শুরু করেছে এরই মধ্যেই। এ বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য জানতে যোগাযোগ করতে পারেন এই ঠিকানায় :সেক্টর-১১, রোড-২, বাড়ি-১৪, উত্তরা, ঢাকা। ফোন :০১৯২৬৩০২৯৪০। এসএসসি-এইচএসসি, ‘এ’ লেভেল-‘ও’ লেভেল সম্পন্নকারীরা এই কোর্সটি করতে পারবে। চার বছরে বাংলাদেশের সর্বসমাদৃত ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষা বোর্ড বিটেক এডেক্সেলের অধীনে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত অনার্স ডিগ্রি অর্জন করতে পারে। এ ক্ষেত্রে ১৮ মাস পর পায় আন্তর্জাতিক ধারার সার্টিফিকেট লেভেল থ্রি বা এনডি। এরপর আঠারো মাসের লেভেল ফাইভ বা এইচএনডি। এরপর ফাইনাল ইয়ার বা চতুর্থ বছর পায় টপ আপ বিবিএ বা বিএসসি। এই কোর্স শেষ করে শিক্ষার্থীরা চাইলেই ইংল্যান্ডের কভেন্টি, কিংসস্টোন, স্যালফোর্ড, ক্রেইনফিল্ড প্রভৃতি বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিশ্বের যেকোনো দেশের এডেক্সেল অনুমোদিত ইউনিভার্সিটিতে সহজে চূড়ান্ত বর্ষে ভর্তি হতে পারে। এর শিক্ষা পদ্ধতি অনেক সহজ। এছাড়া এই কোর্সে বিশ্বের ১৭৩টি দেশে ক্রেডিট ট্রান্সফার করার সুযোগ রয়েছে। ১৮ মাস লেভেল-৩ বা এ লেভেল করতে সর্বমোট খরচ পড়বে তিন লাখ টাকা, ১৮ মাস লেভেল-৫ করতে খরচ পাঁচ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা এবং ১ বছর কলেজ অব অ্যাভিয়েশন টেকনোলজি থেকে লেভেল-৬ অ্যারোনটিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং (অনার্স) করতে খরচ পড়বে পাঁচ লাখ পঞ্চাশ হাজার টাকা।