সকাল বেলার পাখি

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৩, ১৬:৫৯
তারুণ্যের সময়টায় প্রত্যেককেই নানা রকম রুটিনবাধা কাজের গণ্ডিতে বাঁধা পড়তে হয়। সকালে ঘুম থেকে উঠেই বই নিয়ে বসা কিংবা স্যারের বাসায় পড়তে যাওয়া, এরপর ক্লাস আর ক্লাস শেষে খেলা কিংবা আড্ডা। আপাতদৃষ্টিতে দিনের পর দিন এই একঘেঁয়ে রুটিনের মাঝে আনন্দ খুঁজে পাওয়াটা যেমন মুশকিল তেমনি এ বয়সে ইচ্ছেস্বাধীনভাবে সময় কাটাতে না পারাটাও অনেকের জন্য ভীষণ আক্ষেপের। অথচ মজার বিষয় হলেও সত্য যে, যারা রুটিন মেনে সবকিছু করাকে কঠিন মনে করে, তারাই কিন্তু ‘লাইফস্টাইল ডিজঅর্ডার’-এর শিকার হয়ে সবচেয়ে বেশি চাপের মুখে থাকে। এ ক্ষেত্রে যারা তাদের প্রাত্যহিক জীবনযাত্রার অসঙ্গতি থেকে বেরিয়ে আসতে চান, তাদের শুরুটা করতে হবে ঘুমের রুটিন থেকেই। রাতে যত কাজই থাকুক আর টিভির অনুষ্ঠানগুলো যত আকর্ষণীয়ই হোক না কেন সবকিছু মিলিয়ে ঘুমের দেশে রওনা হতে হবে একটা নির্দিষ্ট সময়ে। এক্ষেত্রে কেউ হয়তো ভাববে যে, তার জন্য রাত বারোটায় ঘুমুতে যাওয়া ঠিক। আবার কেউ হয়তো ভাবতে পারে যে, প্রতিদিনই যদি একটা নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমুতে হয় তাহলে রাত একটা কিংবা দু’টোয় ঘুমালেই বা ক্ষতি কি। এক্ষেত্রে ঘুমের সময় নির্ণয়ের সবচেয়ে সহজ বুদ্ধি হলো, সকালে যে সময়ে ঘুম থেকে উঠতে হবে তার থেকে আট ঘণ্টা সময় বিয়োগ করে ঘুমের রুটিন ঠিক করা। উদাহরণস্বরূপ সকালে যার সাতটায় উঠবার তাড়া তাকে আটঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করতে হলে অবশ্যই ঘুমুতে হবে ঘড়ির কাঁটা এগারোটা পেরোবার আগেই। এ ছাড়া এই বয়সে যাদের মধ্যে ফিটনেসের বাতিক রয়েছে তারাও এ সময়টা কাজে লাগাতে পারবেন ফ্রি-হ্যান্ড এক্সারসাইজ কিংবা সকালের খোলা হাওয়ায় খানিকটা হাঁটাহাঁটি করে।