সকল গণতান্ত্রিক দেশে নির্বাচন কমিশন রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচন পরিচালনা করা। বাংলাদেশের নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। নির্বাচন কমিশন কিভাবে গঠিত হবে এবং এর দায়িত্ব ও করণীয় কি হবে তা সংবিধানে বর্ণিত রয়েছে। ১১৯ (১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের নির্বাচন অনুষ্ঠান করা নির্বাচন কমিশনের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। নির্বাচন কমিশন সংবিধানের নির্দেশনাবলী ছাড়াও দেশের ‘নির্বাচনী আইন’ দ্বারাও পরিচালিত হয়। সংবিধানের ১১৮(৪) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, ‘নির্বাচন কমিশন দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে স্বাধীন থাকিবেন এবং কেবল এই সংবিধান ও আইনের অধীন হইবেন।’ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান এবং প্রকৃত গণপ্রতিনিধি নিয়ে সংসদ প্রতিষ্ঠার জন্য নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতা ও নিরপেক্ষতা খুবই জরুরি। এজন্যই সংবিধানে নির্বাচন কমিশনের স্বাধীনতার উপর জোর দেয়া হয়েছে। তবে বাংলাদেশে নির্বাচন কমিশনের নিরপেক্ষতা ও স্বাধীনতা নিয়ে বারবার প্রশ্ন উঠেছে। বিশেষ করে দলীয় সরকারগুলোর অধীনে নির্বাচন কমিশন স্বাধীন ও নিরপেক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে পারেনি বা করেনি বলে পুরোনো অভিযোগ রয়েছে। এ কারণেই ১৯৯৬ সালে সংবিধানে ত্রয়োদশ সংশোধনীতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা প্রবর্তন করা হয়েছিল, যা বর্তমান সরকার পঞ্চদশ সংশোধনীর মাধ্যমে বাতিল করেছে। বর্তমানেও কেউ কেউ তত্ত্বাবধায়ক ব্যবস্থা পুনবর্হাল না করে নির্বাচন কমিশনকে স্বাধীন ও আরো শক্তিশালী করার কথা বলছেন।
আমাদের দেশে নির্বাচনের যে আইন কাঠামো রয়েছে তা কাজ চালানোর জন্য মন্দ নয়। সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদে যে বিধান দেয়া হয়েছে তা যথার্থভাবে পালন করলে শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা কঠিন হয় না। ওই অনুচ্ছেদের কথাটা হচ্ছে, নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব পালনে সহায়তা করা সব নির্বাহী কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব ও কর্তব্য। সেই কর্তব্য সম্পর্কে নির্বাহী বিভাগের পক্ষপাতদুষ্টতা, অনবধানতা, অবহেলা বা ঔদাসীন্য নির্বাচন কমিশনকে পঙ্গু করে দেয় এবং একটি শান্তিপূর্ণ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠান করা তখন এক বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। নির্বাচনে কে জিতবে বা হারবে ভবিষ্যতের সে দুর্ভাবনা না করে প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে নির্বাহী বিভাগের কর্মকর্তাদের কর্তব্যচ্যুতিকে সাহস ও কঠোরতার সঙ্গে মোকাবিলা করা ছাড়া সুষ্ঠু নির্বাচন করার অন্য কোনো উপায় নেই। কিন্তু আমাদের দেশে নানা বাস্তবতায় নির্বাচন কমিশন তাদের সীমাবদ্ধতা অতিক্রম করে কার্যকর ও নিরপেক্ষ কমিশন হিসেবে নিজেকে প্রমাণ করতে পারছে না । সদ্য সমাপ্ত পাঁচ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনের পর গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজের পক্ষ থেকে নির্বাচন কমিশনকে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য সাধুবাদ জানানো হয়। তবে বিদ্যমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য হওয়ার পেছনে মূল কৃতিত্বের দাবিদার সরকার। কারণ মহাজোট সরকার দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে তা অবাধ ও নিরপেক্ষ হতে পারে—জনগণকে এ তোকমা গেলাতে সরকার সিটি নির্বাচনে কোনো হস্তক্ষেপ করতে চায়নি বলেই নির্বাচন সুন্দর হয়েছে। সিটি নির্বাচনগুলোতে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগ আসার পরও তা নিষ্পত্তি কিংবা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষেত্রে ইসির নিষ্ক্রিয়তাও দেশবাসী দেখেছে।
আমাদের দেশে নির্বাচনকালীন সরকার ব্যবস্থা নিয়ে সরকার ও বিরোধী দল দীর্ঘদিন ধরে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে। এরকম একটি সংঘাতময় পরিস্থিতিতে দেশের রাজনীতি তথা সংসদ নির্বাচন নিয়ে যখন অনিশ্চয়তার কালো মেঘের ঘনঘটা দেখা যাচ্ছে, তখন নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাবিত নির্বাচনী আচরণবিধি ও গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের নানা প্রস্তাব অস্থিতিশীল পরিস্থিতিকে ‘আগুনে ঘি ঢালার’ মতো আরো উত্তপ্ত করে তুলতে পারে। উপরন্তু কমিশনের এ ধরনের প্রস্তাবে জাতীয় নির্বাচনের ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠানটি যে প্রত্যাশা অনুযায়ী স্বাধীন ও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারবে না, তাও আগেভাগে দিবালোকের মতো পরিষ্কার হয়ে গেল। গত ২৩ জুলাই কয়েকটি প্রথম সারির জাতীয় দৈনিকে একযোগে গুরুত্বের সঙ্গে একটি সংবাদ প্রচার করা হয়েছে; আর তা হলো সংবিধানের পঞ্চদশ সংশোধনীর আলোকে নির্বাচন কমিশন সম্প্রতি নির্বাচনী আচরণবিধির যে খসড়া তৈরি করেছে তাতে বলা হয়েছে, দলীয় সরকারের অধীনে সংসদ নির্বাচন হলে এবং প্রধানমন্ত্রী যদি দলের প্রধান থাকেন সেক্ষেত্রে তিনি ও তার মনোনীত ২০ জন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী বা নেতা দেশব্যাপী নির্বাচনী প্রচারণায় অংশ নিতে পারবেন। অবশ্য প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কাজী রকিব উদ্দীন আহমদ ওইদিনই সাংবাদিকদের কাছে এ ধরনের প্রস্তাবের কথা অস্বীকার করেছেন।
বিগত কয়েকটি নির্বাচন তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে হওয়ায় মন্ত্রী থাকাকালে ক্ষমতাসীন দলের নেতাদের নির্বাচনী প্রচার কাজে অংশ নেয়ার প্রশ্ন ছিল না। আগামী নির্বাচন যদি সেরকম কোনো সরকারের অধীনে অনুষ্ঠিত হয়, তাহলেও এ প্রশ্নটি গৌণই থেকে যাবে। কিন্তু দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন হলে ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপমন্ত্রী বা তাদের সমমর্যাদার সরকারি সুবিধাভোগী ব্যক্তিদের নির্বাচনী প্রচার কাজে অংশ নেয়ার বিষয়টিও সামনে আসবে। সম্ভবত সেই ভাবনা থেকেই নির্বাচন কমিশন (ইসি) আচরণবিধি সংশোধনের উদ্যোগ নিয়েছে। তবে খসড়া অনুযায়ী নির্বাচনী প্রচারণায় ক্ষমতাসীন দল বাড়তি সুবিধা পাবে ও প্রভাব খাটানোর সুযোগ থাকবে। বিরোধী দল ও স্বতন্ত্র প্রার্থীরা অপেক্ষাকৃত কম সুযোগ-সুবিধা পাবেন। এতে নির্বাচনে ‘লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড’ নষ্ট হবে; আর এ ধরনের বৈষম্যমূলক ব্যবস্থা নিঃসন্দেহে নির্বাচনের স্বচ্ছতা ও গ্রহণযোগ্যতাও প্রশ্নবিদ্ধ হবে। অথচ নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব নির্বাচনে সব প্রার্থীকে সমান সুযোগ দেয়া। প্রধানমন্ত্রীকে যদি বিশেষ সুযোগ দেয়া হয়, সেই সুযোগ অন্য দলের প্রধানদেরকেও দিতে হবে—এটাই হবে প্রত্যাশিত। দৈনিক ইত্তেফাকে গত ২৪ জুলাই প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, নির্বাচনের সময় ভারত ও যুক্তরাজ্যে মন্ত্রীরা কোনো প্রটোকল পান না—সাধারণ প্রার্থীর মতো প্রচারণায় অংশ নেন। ভারতে প্রধানমন্ত্রী পার্টি প্রধান থাকেন না; তবে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধানমন্ত্রী সাধারণ প্রটোকল পান—প্রচারণার সময় বেসরকারি নিরাপত্তা নিতে পারেন তারা। যুক্তরাজ্যের ক্ষেত্রেও একই অবস্থা।
অধিকন্তু গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) সংশোধনের প্রস্তাবে নির্বাচন কমিশন আরেকটি বিধান অন্তর্ভুক্ত করেছে বলে গণমাধ্যমে খবর এসেছে। তা হলো সংসদ নির্বাচনে আচরণবিধি ভঙ্গের কারণে কোনো প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হলে এবং এরপর একজন মাত্র প্রার্থী থাকলে তাকে বিজয়ী ঘোষণা করা হবে। আরপিওতে এ ধরনের বিধানও বিতর্ক সৃষ্টি করবে এই কারণে যে, কোথাও প্রার্থীর সংখ্যা দুইজন থাকলে কমিশন উদ্দেশ্যমূলকভাবে একজনকে জেতানোর জন্য এই ক্ষমতার অপপ্রয়োগ করে অপর কোনো প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল করে দিতে পারে। অথবা কমিশন যৌক্তিকভাবেও যদি কারও প্রার্থিতা বাতিল করে এবং অপর একজন প্রার্থীকে যদি বিজয়ী ঘোষণা করে, সেক্ষেত্রেও কমিশনের ভূমিকা নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিতে পারে। এমতাবস্থায় শুধু সংবিধান বিবেচনায় নিয়ে নির্বাচনী আচরণবিধি সংশোধনের উদ্যোগ সমর্থনযোগ্য হতে পারে না। সংবিধানের বাইরে আরও যেসব বিষয় ও বাস্তবতা রয়েছে, সেগুলোও বিবেচনায় নিয়ে কমিশনের চূড়ান্ত পদক্ষেপ নেয়া উচিত।
আগামী সংসদ নির্বাচন এখনো বেশ কিছু ‘যদি’র উপর নির্ভর করছে। স্বীকার করতে হবে, একই কারণে নির্বাচন কমিশনও কিছুটা বেকায়দা অবস্থায় রয়েছে। একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে নির্বাচন কমিশন সংবিধানের যে কোনো সংশোধনী বিবেচনায় নেবে এবং নির্বাচনী আচরণবিধির কোনো অংশ সংশোধিত সংবিধানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ না হলে তা সংশোধনের উদ্যোগ নেবে, এটা স্বাভাবিক। কিন্তু বিদ্যমান প্রেক্ষাপটে বিষয়টিকে এত সরলভাবে দেখার সুযোগ নেই। সংশোধিত সংবিধান অনুযায়ী দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের বিধান রয়েছে। এই বাস্তবতার পাশাপাশি এটাও চরম সত্য যে, দেশের প্রধান বিরোধী দল এই সংশোধনী মেনে নেয়নি। তারা নিরপেক্ষ ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে নির্বাচন অনুষ্ঠানের দাবি জানিয়ে আসছে এবং মাঝে-মধ্যেই এ দাবিতে আন্দোলন কর্মসূচি পালন করছে। গত ২৩ জুলাই এক পেশাজীবী সমাবেশ ও ইফতার মাহফিলে বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া নির্দলীয় সরকারের দাবিতে ঈদের পরে রাজপথে নামার ঘোষণা দিয়ে বলেছেন, “আওয়ামী লীগ বা শেখ হাসিনার অধীনে নয়, নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আগামী নির্বাচন হবে।” এদিকে সরকারও দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনের প্রতিজ্ঞার কথা জোরেশোরে প্রচার করছে। একই দিনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের উদ্বোধন করে ডিসিদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আবারো তার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে বলেছেন, ‘‘আগামী সাধারণ নির্বাচন অন্তর্বর্তী সরকারের অধীনেই অনুষ্ঠিত হবে, যাতে দেশে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকে।’’
সংসদীয় গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে যে কোনো রাজনৈতিক দলের প্রধান লক্ষ্য হলো নির্বাচনের মাধ্যমে বা বৈধ উপায়ে শাসন ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়া। খ্যাতনামা মার্কিন রাষ্ট্রবিজ্ঞানী যোসেফ স্যুমপিটারের মতে, ‘‘The first and foremost aim of each political party is to prevail over the others in order to get into power or stay in it.’’ তাই নির্বাচনে জয়লাভ করে রাষ্ট্রীয় ক্ষমতায় অধিষ্ঠিত হওয়ার জন্য একটি দেশের প্রধান রাজনৈতিক দলগুলো সর্বশক্তি, প্রভাব ও কৌশল প্রয়োগ করে। আমাদের দেশেও এর ব্যতিক্রম হয় না। নির্দলীয় সরকার ছাড়া অন্য কোনো ব্যবস্থায় নির্বাচন হলে তা ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবমুক্ত থাকবে—এ কথা শুনলে পাগলও হাসবে। যেখানে ক্ষমতার প্রভাব কাজে লাগিয়ে যে কোনো সুযোগ-সুবিধা হাতিয়ে নিতে প্রয়োজনে অবৈধ পন্থা অবলম্বন করতে তারা কার্পণ্য করেন না, সেখানে নিজেদের হাতে ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণ কুক্ষিগত রেখে রাজনৈতিক চূড়ান্ত লক্ষ্য হাসিল অর্থাত্ ‘ক্ষমতা স্থায়ী’ করতে তারা ‘নিরপেক্ষ’ থাকবেন(!) এটা আমাদের দেশের প্রেক্ষাপটে আকাশ- কুসুম কল্পনা বৈ কিছু নয়।
তাই সার্বিক পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনকে এটা বুঝতে হবে যে, জাতীয় নির্বাচন একটি রাজনৈতিক বিষয় এবং প্রধান দুই রাজনৈতিক দলের কাছে কমিশনের সব পদক্ষেপের গ্রহণযোগ্যতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমনিতেই নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে প্রধান দুই শিবির বিপরীতমুখী অবস্থান নিয়েছে। এই অবস্থায় এককভাবে নির্বাচন কমিশন সংসদ নির্বাচনের আচরণবিধি সংশোধনের যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাতে সাংবিধানিক এই প্রতিষ্ঠানটির নিরপেক্ষতা নিশ্চিতভাবেই ঝুঁকির মুখে পড়বে। বর্তমান পরিস্থিতিতে নির্বাচন কমিশনের উচিত হবে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে তাদের মতামতের ভিত্তিতে আচরণবিধি সংশোধনীতে হাত দেয়া। আরও ভালো হয় কোন ধরনের সরকার পদ্ধতির অধীনে আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে তা নিশ্চিত হওয়ার পর পরবর্তী প্রস্তুতি গ্রহণ করা। সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী অক্টোবরেই যদি বর্তমান সংসদ ভেঙে দেয়া হয়, তাহলে হাতে সময় খুবই কম। দ্রুত সিদ্ধান্ত না নিলে আগামী নির্বাচন ক্রমেই অনিশ্চিত হয়ে পড়বে এবং ওই অবস্থায় দেশ সংঘাত-সহিংসতার দিকে এগিয়ে যেতে পারে, যা কোনোভাবেই কাম্য নয়।
লেখক : সহকারী অধ্যাপক, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়
