গোমস্তাপুরে ইউপি উপ-নির্বাচনের পর সংঘর্ষে আহত ১০

আপডেট : ২৬ জুলাই ২০১৩, ২১:৪৬
জেলার গোমস্তাপুর উপজেলার চৌডালা ইউপি উপ-নির্বাচনের পর গত বৃস্পতিবার বিকাল থেকে শুরু হয়ে গতকাল শুক্রবার সকাল পর্যন্ত চলা ২ দলের সংঘর্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। এ সময় ১০-১২টি বাড়িঘর, দোকান ও কাঠ কল ভাংচুর করা হয়। আহত কয়েকজনকে চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। গোমস্তাপুর থানার ওসি ফিরোজ আহমেদ বলেন, এ ঘটনায় থানায় পৃথক ৩টি মামলা হয়েছ। এছাড়া গত ২ দিনে সন্দেহভাজন ২২ জনকে আটক করা হয়। উল্লেখ্য, এ ইউনিয়নে গত ১০ জুলাই চেয়ারম্যান পদে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আওয়ামী লীগ নেতা আনসারুল হকের সমর্থকরা বিজয়ী চেয়ারম্যান প্রার্থী খাতুন টুনি মিঞার কাঠ কলে হামলা করলে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। এ ঘটনার পর বিজয়ী চেয়ারম্যানের সমর্থকরা প্রতিপক্ষের বেশ কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকান ভাংচুর করে। এ ঘটনার জের ধরে গতকাল সকালে পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থকরা প্রতিপক্ষের কয়েকটি বাড়িঘর ভাংচুর ও লুটপাট করেছে। বিজয়ী চেয়ারম্যান খাতুন টুনি মিঞার ছেলে উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান খুরশিদ আলম বাচ্চু বলেন, সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা আনসারুল হক এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব প্রতিষ্ঠার চেষ্টা করেছেন। পরাজিত চেয়ারম্যান প্রার্থী আনসারুল হক বলেন, উপজেলা চেয়ারম্যান বাচ্চুর সমর্থকরা আমার সমর্থক শিরুলের বাড়ি ভাংচুর ও লুটপাট করায় বিচ্ছিন্ন কয়েকটি ঘটনা ঘটেছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার রুহুল আমিন বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে আছে। ওই এলাকায় র্যাব-পুলিশ টহলে রয়েছে।