৫ জন ভিনদেশি

ফ্যাশন ডিজাইনার

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০১৩, ১৯:৫২
অ্যা ডা ম লি প স ফ্যাশন শো-তে নতুন সব ডিজাইন নিয়ে প্রথমবারেই সবার নজর কেড়েছিলেন। হয়ে উঠেছিলেন একজন বিখ্যাত ফ্যাশন আইকন। অন্য ডিজাইনারদের থেকে ভিন্ন কিছু চিন্তা করতেন বলেই তার ডিজাইনে ভিন্নতার ছোঁয়া পাওয়া যেত। তার ফ্যাশন ধারণার মধ্যেই রয়েছে অন্যরকমের এক সৃষ্টিশীলতা ও আভিজাত্যের ছোঁয়া। তিনি প্যারিসে যান তাদের ডিজাইনটি বিশ্ববাসীর কাছে পৌঁছে দিতে। বলা হয়, একজন ডিজাইনারের পোশাক যখন প্যারিসের কোনো ফ্যাশন শোতে দেখানো হয়, সেই কয়েক মুহূর্ত সেই ডিজাইনারের জন্য তার বছরের শ্রেষ্ঠ এবং সবচেয়ে দামি সময়। শুধু জামা বা জুতাই নয়, সঙ্গে থাকে বিভিন্ন এক্সেসরিজও, যেমন—ব্যাগ, জুয়েলারি, কসমেটিকস ইত্যাদিও তিনি ডিজাইন করেন। অ্যা ডে লি না ই ভা ন ৯ এপ্রিল জন্ম নেওয়া এই ইয়ং তরুণটিতে দেখলে কেউ বলতে পারবে না যে তিনি একজন বিখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার। আসলেই তিনি তাই। ফ্যাশন জগতের অন্যতম পরিচিত একটি নাম ইভান। তিনি ডিফিউশন লাইন ফ্যাশানের জন্য বিখ্যাত। সেই সাথে তিনি একজন ক্রিয়েটিভ ফ্রেঞ্চ ফ্যাশন ডিজাইনার। তিনি লুইস ভুইট্টন নামের একটি ফ্যাশন হাউসের সাথে জড়িত। তিনি নিউ ইর্য়ক সিটির জিইস শহরে জন্ম নেন। তবে তার বেড়ে ওঠা হয় নিউ জার্সি শহরে। তিনি টিনেক হাই স্কুলে পড়াশোনা করেন। তিনি আর্ট ও ডিজাইনের উপর পড়াশোনা করেছিলেন। জ ন গ্যা লি য়া নো তিনি প্যারিসের বিভিন্ন ফ্যাশন হাউসের সাথে কাজ করেছেন। প্রায় দুই যুগ পরে ল্যুভরে মিউজিয়ামের নির্ধারিত জায়গাটিতে ফ্যাশন একটি সপ্তাহ অনুষ্ঠিত হয়। ‘সেন’ নদীর কাছাকাছি, ফ্যাশন শো’র আয়োজনস্থল হিসেবে খ্যাত প্যারিসের ঐতিহ্যবাহী বড় গম্বুজের গ্র্যাণ্ড প্যালাসে ইতোমধ্যেই বিশালকায় তাঁবু বসেছিল, ল্যুভরের পিরামিডাকৃতির জায়গাটির নিচে মস্ত তাঁবু টাঙিয়ে ৪ ঘরের এই আয়োজনস্থলটির জায়গা করা হয়েছিল ফ্যাশন হাউসের জন্য। সেখানে তার ফ্যাশন পারফর্মেন্সও ছিলো। সেইখান থেকে তার শুরু। এরপর তিনি বেশকিছু ফ্যাশন হাউসের সাথে যুক্ত হয়েছিলেন। তার মধ্যে প্যারিসের কিছু ফ্যাশন হাউসও ছিল। কে ট মি ড ল ট ন পুরো নাম, ক্যাথেরিন এলিজাবেথ মিডলটন, তবে বেশি পরিচিত ‘কেট’ নামে। বর্তমানে ডিউক অব কেমব্রিজ, অর্থাত্, প্রিন্স উইলিয়ামের স্ত্রী হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। ক্যাথরিন বাকলবেরি শহরে জন্ম নেন এবং সেখানেই তার বেড়ে ওঠা। এটি ইংল্যান্ডের বার্কশায়ার গ্রাম, নিউবেড়ি গ্রামের কাছেই। তবে তার পড়াশোনা হয়েছে স্কটল্যান্ডে। সেখানকার অ্যান্ড্রুস ইউনিভার্সিটিতে পড়েছিলেন তিনি। তিনি সব মহলে সমাদৃত হন তার ফ্যাশন বিষয়ক জ্ঞানের মাধ্যমে। এবং তার ডিজাইন করা পোশাক ‘বেস্ট ড্রেস’-এর তালিকায় আসে। সেই সাথে ডেইলি টেলিগ্রাফের ‘মোস্ট প্রমিজিং নিউকামার ২০০৬’-এর স্টাইল উইনারের লিস্ট-এ ৬ নাম্বারে ছিলেন। এরপর ২০০৭ সালের স্টাইল আইকনের তালিকায় বেস্ট ১০ জনের ভেতরে তার স্থান ছিল ৮ নম্বরে। ট ম ফো র্ড বেশি পরিচিত তিনি আমেরিকান ফ্যাশন ডিজাইনার ও ফিল্ম ডিরেক্টর হিসেবে। তার ঝুলিতে গুচি ফ্যাশন হাইসের মতো বড় বড় হাউসের চুক্তি রয়েছে। তিনি বেশ কয়েকবার অস্কার মনোনায়নও পেয়েছেন। বিখ্যাত এই ব্যক্তির জন্ম ২৭ আগস্ট। তিনি টেক্সাসের অস্টিনে জন্ম নেন এবং সেখানেই তার শৈশব ও কৈশোর পার হয়। এরপর তিনি তার পরিবারসহ আমেরিকার লস অ্যাঞ্জেলসে চলে আসেন। সেখানে তিনি সেন্ট মাইকেল হাই স্কুলে ভর্তি হন। তার বয়স যখন ১১ বছর, তিনি প্রথমবারের মতো ফ্যাশন জগতের সাথে পরিচিত হন। এ ছাড়াও তিনি ডমিনিকো ডি সোল নামের একটি কোম্পানির সিইও পদে কাজ করেছিলেন।