আছিয়া বেগম, বয়স ষাটের উপরে। শারিরীক ভাবে তিনি খুব অসুস্থ। অতি দরিদ্র এই বৃদ্ধা চিকিত্সা নিতে সরনাপন্ন হয়েছেন জিয়ানগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাক্তারের। তার সমস্যার কথা জনাতে চাইলে তিনি বলেন, “মুই গরীব মানুষ।
আছিয়া বেগমের মত প্রতিদিন শত শত রোগী খালী হাতে বাড়ি ফিরছেন জিয়ানগর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে। শুধু মাত্র ঔষধ সরবরাহ না থাকায় স্বাস্থ্য সেবা থেকে বঞ্চিত লক্ষাধিক মানুষ। এখানে ডাক্তার আছে, ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সর ভবন, প্রয়োজনীয় জনবল সব রয়েছে। আছে এ্যামবুলেন্সও। ডাক্তার নার্সসহ কর্মকর্তা কর্মচারীদের থাকার জন্য আলাদা তিনটি কোয়ার্টার। তারপরও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ইনডোর ও আউটডোর প্রায় ৫ বছরেও চালু না হওয়ায় ভোগান্তির যেন আর শেষ নেই এখানে চিকিত্সা নিতে আশা রোগীদের। ২০০৫ সালে এ উপজেলার লক্ষাধিক মানুষের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতের জন্য ৫০ শয্যা বিশিষ্ট উপজেলা স্বাস্থ্য কমেপ্লেক্সর র্নিমান কাজ শুরু হয়ে বিভিন্ন প্রতিকুলতার মধ্যে ২০০৮ সালের প্রথম দিকে শেষ হয়। তখন থেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, ডাক্তার, নার্স, অফিস সহকারী সহ বিভিন্ন পদে লোক পদায়ন দেওয়া হয়। কিন্তু ঔষধ সরবরহ, প্রয়োজনীয় আসবাবপত্র, ইনডোর ও আটডোর চালু না হওয়ায় ডাক্তাররা শুধূ ব্যাবস্থা পত্র দিয়ে রোগীদের খালী হাতে ফিরিয়ে দেয়। এ ব্যাপারে উপজেলা চেয়ারম্যান একরামুল কবির মজনু জানান দক্ষিনাঞ্চলের এ হাসপাতালটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ হাসপাতালে ঔষধ না থাকার কারনে এলাকার হতদরিদ্র জনগন খুবই ভোগান্তির শিকার হচ্ছে।
