হেফাজতে ইসলাম ঢাকা মহানগর নেতৃবৃন্দ বলেছেন, কোনো দলের ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য হেফাজত নির্বাচনী চুক্তি করেনি। আমরা কারো হাতের পুতুল হিসাবেও ব্যবহূত হতে চাই না। সারাদেশে হেফাজতের কর্মকাণ্ডকে বাধাগ্রস্ত ও জনমনে বিভ্রান্তি ছড়ানোর লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন কৌশল হাতে নিয়েছে। তারা হেফাজতের বিরুদ্ধে কিছু অতি উত্সাহী দালালদেরও সম্প্রতি মাঠে নামিয়েছে।
গতকাল সোমবার বিকালে পুরনো ঢাকার লালবাগ কার্যালয়ে ঢাকা মহানগর হেফাজতের এক সভায় নেতৃবৃন্দ এসব কথা বলেন। হেফাজত ঢাকা মহানগরের সিনিয়র নেতা ও বড়কাটারা মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল মুফতি মুহাম্মদ তৈয়্যেব হোসাইন সভায় সভাপতিত্ব করেন। নেতৃবৃন্দ বলেন, হেফাজত দেশের মুসলমানদের সঠিক ঈমান, আক্বিদার সংরক্ষণ ও আল্লাহ, রাসূল (সা.)কে নিয়ে কটূক্তিকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তিসহ ১৩ দফা দাবিতে আন্দোলন করছে।
সভায় বক্তারা বলেন, ইসলামী রাজনীতির দাবিদার একটি মহলও সরকারের নিমক হালাল করার জন্য হেফাজতের বিরুদ্ধে প্রকাশ্য মুখ খুলতে শুরু করেছে। হেফাজতসহ ৪১টি ইসলামী সংগঠনের ওপর কড়া নজরদারি শুরু করেছে সরকার।
নেতৃবৃন্দ আরো বলেন, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলেও হেফাজতের নীরব কর্মী ও সমর্থক রয়েছে। সরকার যদি হেফাজতকে নিষিদ্ধ করার দিকে অগ্রসর হয় তাহলে তারা নিজেরাই নিজেদের পতন ডেকে আনবে। বক্তব্য রাখেন হেফাজতের কেন্দ্রীয় যুগ্ম মহাসচিব মুফতি ফয়জুল্লাহ, খেলাফতের আমীর মাওলানা আবুল হাসনাত আমিনী, মহাসচিব মাওলানা ফজলুর রহমান, মাওলানা আহলুল্লাহ ওয়াছেল, মাওলানা জসিম উদ্দিন, মাওলানা রিয়াজতুল্লাহ, মাওলানা আলতাফ হোসাইন, মাওলানা আবদুল আজিজ, মাওলানা বশির মেছবাহ প্রমুখ।
