শুধু ব্যবসা ও শিল্পে নয় মানব সম্পদ উন্নয়নের ক্ষেত্রেও নারীদের অনেক অগ্রগতি হয়েছে। ১০ বছর আগে নারীরা যে অবস্থানে ছিল আজ তার অনেক পরিবর্তন হয়েছে। নারীরা যেসব ভাল উদ্যোগ নিচ্ছে তা অনেক উঁচু মানের। তবে উদ্যোগগুলোকে সফলভাবে বাস্তবায়নের জন্য প্রশিক্ষণের প্রয়োজন। এশিয়ান উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) কারিগরি সহায়তায় বাংলাদেশ উইমেন চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ড্রাস্ট্রির (বিডাব্লিউসিসিআই) উদ্যোগে প্রশিক্ষণের আওতায় দেশের বিভিন্ন এলাকার নারীরা যে প্রশিক্ষণ নিচ্ছে তা ইতিবাচক ইঙ্গিত বহন করে।
সোমবার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক সেমিনারে অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত এসব কথা বলেন। এডিবির সহায়তায় বাংলাদেশের নারী উদ্যোক্তা উন্নয়নে সহায়তা শীর্ষক সেমিনারের আয়োজন করে বিডাব্লিউসিসিআই। বিডাব্লিউসিসিআই প্রেসিডেন্ট সঙ্গীতা আহমেদের পরিচালনায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নারী ও শিশু প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি, এডিবির আবাসিক প্রতিনিধি তেরেসা খিও ও ফেরদৌসী সুলতানা বেগম, বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই এন্ড স্পেশাল প্রোগ্রাম বিভাগের মহাব্যবস্থাপক সুকোল সিংহ চৌধুরী। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিডাব্লিউসিসিআইয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রেসিডেন্ট সেলিমা আহমদ।
মেহের আফরোজ চুমকি বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে নিয়ে আসতে হলে ব্যাংকিং খাতকে আরো এগিয়ে আসতে হবে। নারী উদ্যোক্তারা যেন হয়রানির শিকার না হয় সেজন্য ব্যাংকগুলোর প্রতি অনুরোধ জানান তিনি।
সুকোমল সিংহ চৌধুরী বলেন, দেশের নারীদের আর্থিক ও কারিগরি সহায়তা দেয়ার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক নানা ধরনের উদ্যোগ নিয়েছে। এসব উদ্যোগের ফলে নারী উদ্যোক্তা ইতোমধ্যে অনেক সহায়তাও পেয়েছেন। এছাড়া ব্যাংকগুলো যাতে নারী উদ্যোক্তাদের ঋণ দেয় সেজন্য সার্বিকভাবে সহায়তা করছে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এসএমই বিভাগ। নারী উদ্যোক্তাদের যেসব সুবিধা রয়েছে সেগুলো উল্লেখ করেন তিনি।
সেলিমা আহমদ বলেন, নারী উদ্যোক্তাদের আর্থিক সহায়তার জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের যেসব উদ্যোগ রয়েছে সেগুলো নারী উদ্যোক্তাদের জানানোর ব্যবস্থা করতে হবে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের সার্কুলারগুলো গ্রামাঞ্চলের নারীরাও যাতে জানাতে পারে সে ব্যবস্থা করতে হবে। অন্যদিকে ব্যাংকে যেসব ডেডিকেটেড ডেস্ক রয়েছে সেগুলোকে কার্যকর করা প্রয়োজন।
