গত ২৭ জুলাই ইত্তেফাকে প্রকাশিত ‘অনিয়মই যেখানে নিয়ম’ শীর্ষক সংবাদের প্রতিবাদ জানিয়ে এর ব্যাখ্যা দিয়েছেন শেকৃবি কর্তৃপক্ষ। শেকৃবি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, অনুমোদিত পদেই জনবল নিয়োগ করা হয়েছে। ইউজিসির পত্রে বলা নেই যে, নিয়োগের ক্ষেত্রে ইউজিসির নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। জনবল নিয়োগের প্রযোজ্যক্ষেত্রে সম্পূর্ণ নীতিমালা অনুসরণ করেই শিক্ষক কর্মকর্তা কর্মচারি নিয়োগ দেয়া হয়েছে। লেকচারার নিয়োগের ক্ষেত্রে টেকনিক্যাল বিভাগসমূহের ধারা অনুসরণে শেকৃবিতে প্রভাষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে। তাই সিন্ডিকেটের মতামতের আলোকে এবং বাস্তবতার নিরিখে শেকৃবিতে সর্বোচ্চ ৭ শতাংশের মেধাভিত্তিক সম্পূর্ণভাবে পালন করা হচ্ছে না। শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে মেধাক্রম অনুযায়ী ১ থেকে ৭ শতাংশের মধ্যে অনেকে শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ পেয়েছেন। মেধাক্রম যা ছাপা হয়েছে তা ঠিক নয়। শেকৃবি তাদের ব্যাখ্যায় আরো বলেছে, উজ্জল আহমেদ লিটন সহকারী পরিচালক হিসাবে বিএডিসিতে কর্মরত। তিনি একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করে যথাযথ নিয়মে আবেদন করেননি। এছাড়া তিনি তার মামলায় মুক্তিযোদ্ধার কোটাটি উল্লেখ করেননি। কারণ তার সার্টিফিকেট ঘষামাজা করা।
প্রতিবেদকের বক্তব্য :শেকৃবি কর্তৃপক্ষকে দেয়া ইউজিসির চিঠি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট বিশ্লেষণ, শিক্ষার্থীর দায়ের করা মামলা, বিশ্ববিদ্যালয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও সিনিয়র শিক্ষকদের দেয়া তথ্যের আলোকেই প্রতিবেদনটি তৈরি করা হয়েছে। রিপোর্টে প্রতিবেদকের নিজস্ব কোন বক্তব্য দেয়া হয়নি।
