মেডিক্যালে ভর্তি নীতিমালা প্রশ্নে হাইকোর্টের রুল

আপডেট : ৩১ জুলাই ২০১৩, ২২:৪২
মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজ এমবিবিএস/বিডিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা-২০১১ কেন বাতিল ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে স্বাস্থ্যসচিব, শিক্ষাসচিব, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের যু্গ্ম সচিব, স্বাস্থ্যসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ও পরিচালক, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। বিচারপতি কাজী রেজা-উল হক ও বিচারপতি এবিএম আলতাফ হোসেনের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এই আদেশ দেয়। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইউনুস আলী আকন্দ গত সপ্তাহে এই রিট দায়ের করেন। আবেদনে বলা হয়, মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কাউন্সিল আইন এবং ২০১০ সালে ঘোষিত জাতীয় শিক্ষানীতি আদেশ লঙ্ঘন করে মেডিক্যাল ও ডেন্টাল কলেজ এমবিবিএস/বিডিএস কোর্সে শিক্ষার্থী ভর্তি নীতিমালা ২০১১ করা হয়েছে। গতকাল আদালতে আবেদনকারী নিজেই শুনানিতে অংশ নেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল বিশ্বজিত রায়। হাইকোর্টের আরেকটি বেঞ্চ ৩৪তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পুনর্মূল্যায়িত ফলাফলে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ২৮০ জনকে কিসের ভিত্তিতে বাদ দেয়া হয়েছে তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে। একইসঙ্গে পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (ক্যাডার) আ.ই.ম. নেছারউদ্দিনকে তিন সপ্তাহের মধ্যে এ বিষয়ে একটি প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি জাফর আহমেদের ডিভিশন বেঞ্চ গতকাল বুধবার এ আদেশ দেয়। একইসঙ্গে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ২৮০ জনকে বাদ দিয়ে প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পুনর্মূল্যায়িত ফল প্রকাশ কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না,তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে আদালত। বাদপড়া ৫৯ জনের পক্ষে দাখিল করা এক রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া। হাইকোর্টের একই বেঞ্চ ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মঞ্জু আরা বেগমের চাকরির মেয়াদ বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত কেন অবৈধ ঘোষণা করা হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে। আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে শিক্ষা সচিব, ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান, বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মঞ্জু আরা বেগম ও পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যানকে এই রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে। ইউনুস আলী আকন্দ গত সপ্তাহে এই রিট দায়ের করেন। রিটে বলা হয়, ২০০৬ সালের ১১ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে ওই দিনের পর শিক্ষকদের চাকরির মেয়াদ বাড়ানো অবৈধ ঘোষণা করে। পরে এটা নিয়ে হাইকোর্টে রিট হলেও ২০১০ সালে দেয়া এক রায়ে প্রজ্ঞাপনটিকে বহাল রাখে। তাই ইতিহাসের সহকারী অধ্যাপক অধ্যক্ষ মঞ্জু আরা বেগমের চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর কোন সুযোগ নেই। বাংলাদেশের চিফ স্কাউট হিসাবে রাষ্ট্রপতিকে মনোনীত না করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে স্কাউটের বিভিন্ন পর্যায়ের বিভিন্ন পদে সরকারি কর্মকর্তাদেরকে না রাখতে এবং খরচ নির্বাহের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ের সকল শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অর্থ আদায় না করতে কেন নির্দেশ দেয়া হবে না, রুলে তাও জানতে চেয়েছে আদালত।