ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ। কিশোরগঞ্জ জেলার একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়টির যাত্রা শুরু হয় মাত্র এক বছর হলো। মনোমুগ্ধকর পরিবেশে ক্লাস চলছে। কিশোরগঞ্জ শহরের কোলাহল থেকে একটু দূরে শোলাকিয়ার নীলগঞ্জ রোডের বিশাল বিল্ডিংয়ে দাঁড়িয়ে আছে এ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভবনটি। চারটি বিভাগে প্রায় তিন শ ছাত্রছাত্রী নিয়মিত ক্লাস করছে বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়ম-নীতি, দক্ষতা ও আনন্দঘন পরিবেশের মধ্যেই। বিশ্ববিদ্যালয়টির চারটি বিভাগ হলো—বাণিজ্য বিভাগ, আইন বিভাগ, ইংরেজি বিভাগ, বিএসসি কৃষি বিভাগ। বিশ্ববিদ্যালয়টি ঘুরে কথা হয় বিভিন্ন বিভাগের ছাত্রছাত্রীর সাথে। বিবিএ ২য় বর্ষের আছমা খানমকে নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি এবং লেখাপড়া সম্পর্কে জানতে চাইলে আছমা খুব প্রফুল্লভাবে তার অনুভূতির কথা জানায় যে, তাদের এলাকায় এমন একটি আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় হওয়ায় সে বিবিএ পড়ার সুযোগ পেয়েছে। এখানে খুব অল্প খরচে পড়তে পারছে। আছমা ছোট বেলা থেকে মেধাবী এবং উচ্চশিক্ষার আশা তার মনে ছিল। কিন্তু দরিদ্র বাবা-মা কি তার ইচ্ছে পূরণ করতে পারত? যদি এখানে বিশ্ববিদ্যালয় না হতো। এ ছাড়া নতুন বিশ্ববিদ্যালয়ে কম্পিউটার, ইন্টারনেট, লাইব্রেরি, ক্যান্টিন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বিষয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠান, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি সবকিছুতেই ছাত্রছাত্রীরা খুব স্বতঃস্ফূর্তভাবে লেখাপড়ার পাশাপাশি অংশগ্রহণ করছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি ড. দুর্গাদাস ভট্টাচার্যর সাথে কথা বললে প্রথমে তিনি জানান, দীর্ঘদিন কিশোরগঞ্জ জেলার মেধাবী ছাত্রী-ছাত্রীরা দেশের বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে খুব কষ্ট করে লেখাপড়া করার অবসান হয় ঈশা খাঁ ইন্টারন্যাশনাল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। নতুন হিসেবে খুব অল্প সময়ের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা প্রায় তিন শ। ৩য় সেমিস্টার চলছে। ২০১২ সালের মার্চের যাত্রা শুরু। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে খুব অল্প খরচে ছাত্রছাত্রী ভর্তি করানো হচ্ছে। মেধা অনুযায়ী স্কলারশিপের ব্যবস্থা আছে। মেধাবী, দক্ষ ও অভিজ্ঞ শিক্ষকরা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছে। সুশৃঙ্খল পরিবেশ, গোছানো অফিস, স্টাফ, মেধাবী ছাত্র-ছাত্রী, অভিজ্ঞ ও দক্ষ শিক্ষক নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে নতুন এ বিশ্ববিদ্যালয়টি। যার উদ্দেশ্য একটি আদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে মেধাবী ছাত্রছাত্রী গড়ে তোলা এবং এসব ছাত্রছাত্রী তাদের মেধা ও যোগত্যা দিয়ে বিশ্বের কাছে তুলে ধরবে এ দেশকে, এ বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষার পথকে।
