এবার ফল বিপর্যয়

আপডেট : ০৩ আগস্ট ২০১৩, ২৩:৩১
উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলে এবার অবনতি হয়েছে। ২০০৯ সাল থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত টানা চার বছর ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পেয়েছে। কিন্তু এ বছর সাধারণ ৮টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার গতবারের চেয়ে ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ কমে যাওয়ায় বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহল এর কারণ বিশ্লেষণ করছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিজ্ঞান বিভাগের রসায়ন ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগের ব্যবসায় নীতি ও প্রয়োগ বিষয়ে সৃজনশীল পদ্ধতি চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীরা বিপাকে পড়েছে। ভালভাবে না বুঝেই শিক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। পাশাপাশি রাজনৈতিক অস্থিরতাও শিক্ষার্থীদের পরীক্ষার ওপর প্রভাব পড়েছে। রাজনৈতিক কর্মসূচির কারণে ৩২টি পরীক্ষা পিছিয়েছে। এ কারণে শিক্ষার্থীরা কিছুটা শংকায় ছিল। সার্বিক পাসের হার ও জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমেছে। দেশের দশটি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলতি বছর অনুষ্ঠিত উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফল গতকাল শনিবার সারাদেশে একযোগে প্রকাশ করা হয়েছে। এবার ১০টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৭৪ দশমিক ৩০। গতবারের চেয়ে এবার পাসের হার ৪ দশমিক ৩৭ শতাংশ কম। গতবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৭৮ দশমিক ৬৭। ১০টি শিক্ষা বোর্ডে গ্রেডিং পদ্ধতিতে ফল প্রকাশের ত্রয়োদশ বছরে এসে আগের বছরের চেয়ে পাসের হার সংখ্যা কমলো। শুধু পাসের হার নয়, জিপিএ-৫ এর সংখ্যাও কমেছে এবার। কমেছে শতভাগ পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। গতবার জিপিএ-৫ পেয়েছিল ৬১ হাজার ১৬২ শতাংশ। এবার এ সংখ্যা কমে হয়েছে ৫৮ হাজার ১৯৭ জন। গতকাল একই সঙ্গে ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা), ডিপে¬ামা ইন কমার্স এবং এইচএসসি (ভোকেশনাল) ফাইনাল পরীক্ষার ফলও প্রকাশিত হয়েছে। ৮টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের গড় হার ৭১ দশমিক ১৩ শতাংশ। গতবারের চেয়ে পাসের হার ৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ কমেছে। গতবার পাসের হার ছিল ৭৬ দশমিক ৫০ শতাংশ। ৮টি শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪৬ হাজার ৭৩৬ জন। গতবার এ সংখ্যা ছিল ৫১ হাজার ৪৬৯ জন। গতবারের চেয়ে জিপিএ-৫ কমেছে ৪ হাজার ৭৩৩ জন। এবার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৯১ দশমিক ৪৬ শতাংশ এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক শূন্য ২৩ শতাংশ। এছাড়া গতকাল ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ডিপে¬ামা ইন বিজনেস স্টাডিজ (ডিআইবিএস) পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক পরীক্ষা এইচএসসির ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে কলেজগুলোতে নেমে আসে আনন্দের বন্যা। সকাল থেকেই মুখরিত হয়ে ওঠে প্রতিটি কলেজ প্রাঙ্গণ। ফল প্রকাশের পর অভিভাবক, শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়ে। একে অপরকে জড়িয়ে ধরে আনন্দের বৃত্ত তৈরি করে শিক্ষার্থীরা। বাদ্য বাজিয়ে, হৈ-হুলে¬াড় করে হাতে হাত রেখে নেচে-গেয়ে আনন্দ ভাগাভাগি করে নেন জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষক-শিক্ষিকারা। পরীক্ষার ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গেই মিষ্টির দোকানগুলোতে মিষ্টি কেনার ধুম পড়ে যায়। অল্প সময়ের মধ্যেই শূন্য হয়ে যায় মিষ্টির ভাণ্ডারগুলো। গতকাল দুপুর ১টায় কলেজগুলোর পাশাপাশি ওয়েবসাইটেও ফল প্রকাশ করা হয়। এছাড়া মোবাইল ফোনে এসএমএস-এর মাধ্যমেও শিক্ষার্থীরা পরীক্ষার ফল জানতে পারে। ফল প্রকাশ উপলক্ষে দুপুর ১টায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিক সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী নূরুল ইসলাম নাহিদ সাংবাদিকদের সামনে ফলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরেন। এর আগে সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাসমূহের ফল হস্তান্তর করা হয়। শিক্ষামন্ত্রী দেশের ১০টি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে নিয়ে গতকাল সকালে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে এসব ফল হস্তান্তর করেন। এ বছর পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০তম দিবসে পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা হল। গতবারের চেয়ে পাসের হার কমলেও ৮টি শিক্ষা বোর্ডের পাসের হারে এবারও এগিয়ে রয়েছে সিলেট শিক্ষা বোর্ড। এ বছর সিলেট শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। এ বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৩৭ শতাংশ। গতবারও আট বোর্ডে সিলেট এগিয়ে ছিল। সাফল্যের দিক দিয়ে দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে রাজশাহী। এ বোর্ডে পাসের হার ৭৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ। এছাড়া এইচএসসিতে ঢাকা বোর্ডে ৭৪ দশমিক ০৪, চট্টগ্রামে ৬১ দশমিক ২২, যশোরে ৬৭ দশমিক ৪৯, দিনাজপুরে ৭১ দশমিক ৯৪, কুমিল্লায় ৬১ দশমিক ২৯ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হয়েছে। এবার আটটি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১০ লাখ ২ হাজার ৪৯৬ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে পাস করেছে ৭ লাখ ৪৪ হাজার ৮৯১ জন। সারাদেশে এবার মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ৮৭ হাজার ৪৭৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। ৮৪ হাজার ২৪৬ জন পাস করে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (বিএম) পরীক্ষায় এবার ৯৫ হাজার ৯৮৪ জন পরীক্ষার্থী অংশ নেয়। পাস করে ৮১ হাজার ৬১৭ জন। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৪ হাজার ৬৫৮ জন। বরাবরের মতো এবারো সবচেয়ে বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছে নটরডেম কলেজ ১ হাজার ৭৬৬ জন। তবে সেরা কলেজ নির্ধারণে ৫টি মানদণ্ড থাকার কারণে সেরাদের তালিকায় গতবারের মতো প্রথম হয়েছে রাজধানীর রাজউক উত্তরা মডেল স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এবার নটরডেম কলেজের অবস্থান ৬ষ্ঠ। গত দুইবার এ প্রতিষ্ঠানের অবস্থান ছিল ৫ম। দ্বিতীয়বারের মতো সেরাদের তালিকায় দ্বিতীয় হয়েছে নরসিংদীর আবদুল কাদির মোল্লা সিটি কলেজ। তৃতীয় রয়েছে ভিকারুন নিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ। এর পরে রয়েছে রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজ, ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ, নটরডেম কলেজ, ক্যামব্রিয়ান কলেজ, মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ, হলিক্রস কলেজ ও দশম অবস্থানে ঢাকা কলেজ। এবার পাসের হার এবং জিপিএ-৫ এর সংখ্যা কমার পাশাপাশি শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা কমেছে, বেড়েছি শূন্য পাস প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা। গতবার শতভাগ পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১ হাজার ৩৬টি। এবার এ সংখ্যা ৮৪৯টি। শূন্য পাস করা প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা গতবার ছিল ২৪টি। এবার এ সংখ্যা ২৫টি। ঢাকা বোর্ড:পাসের হার ৭৪ দশমিক ০৪ শতাংশ ঢাকা বোর্ড থেকে এবার পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল ২ লাখ ৬৩ হাজার ৪২৬ জন। পাস করে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৪৫ জন। এর মধ্যে ৯৮ হাজার ৫৪৪ জন ছাত্র এবং ৯৬ হাজার ৫০১ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২২ হাজার ৩৪১ জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে রয়েছে ৫৬ হাজার ১৯ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ৩৭ হাজার ২৫৪, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ৩৫ হাজার ৫৮৫, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৬২৯ জন এবং জিপিএ-১ থেকে ২ এর মধ্যে রয়েছে ৪ হাজার ২০৭ জন। রাজশাহী বোর্ড: পাসের হার ৭৭ দশমিক ৬৯ শতাংশ রাজশাহী বোর্ড থেকে এবার ১ লাখ ৫ হাজার ৭২ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে ৮১ হাজার ৬৩১ জন। এর মধ্যে ৪২ হাজার ১০৭ জন ছাত্র এবং ৩৫ হাজার ৫২৪ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৭ হাজার ৬৬৬ জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে রয়েছে ২২ হাজার ১১৫ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ১৬ হাজার ২৫১, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ১৫ হাজার ৬১৬, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ১৭ হাজার ৫২১ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ২ হাজার ৪৬৪ জন। চট্টগ্রাম বোর্ড : পাস ৬১ দশমিক ২২ শতাংশ চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড থেকে পরীক্ষায় অংশ নেয়া ৬৩ হাজার ৬৮৬ জন পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩৮ হাজার ৯৮৬ জন পাস করে। এর মধ্যে ১৯ হাজার ৫৩৮ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৪৪৮ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৭৭২ জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে ৮ হাজার ৬২৪ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ৬ হাজার ৪১৬, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ৭ হাজার ৪২০, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ১১ হাজার ৩৩৭ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ২ হাজার ১৭ জন। কুমিল্ল¬া বোর্ড: পাসের হার ৬১ দশমিক ২৯ শতাংশ কুমিল্লা বোর্ড থেকে এবার ৮৮ হাজার ৬৯৪ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাস করে ৫৪ হাজার ৩৫৯ জন। এর মধ্যে ২৭ হাজার ৬৫১ জন ছাত্র এবং ২৬ হাজার ৭০৮ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৩৯০ জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে ১২ হাজার ২২০ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ১০ হাজার ১৯৪, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ১০ হাজার ৯৬৯, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ১৫ হাজার ৮৪০ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ২ হাজার ৭৪২ জন। যশোর বোর্ড: পাসের হার ৬৭ দশমিক ৪৯ শতাংশ যশোর বোর্ড থেকে এবার ১ লাখ ৯ হাজার ৯৯৪ জন পরীক্ষায় অংশ নেয়। ৭৪ হাজার ২৪০ জন পাস করে। এর মধ্যে ৩৭ হাজার ৮৬৬ জন ছাত্র এবং ৩৬ হাজার ৩৭৪ জন ছাত্রী। বরিশাল বোর্ড: পাসের হার ৭১ দশমিক ৬৯ শতাংশ বরিশাল বোর্ডের অধীনে এবার ৫২ হাজার ১৭৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নিয়ে পাস করে ৩৭ হাজার ৪০৩ জন। এর মধ্যে ১৮ হাজার ৩৪১ জন ছাত্র এবং ১৯ হাজার ৬২ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৮৫৩ জন। এছাড়া জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে ১০ হাজার ৬৩৫ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ৭ হাজার ৯৫১, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ৭ হাজার ৬৮৫, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ৮ হাজার ৩৯০ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ৮৮৯ জন। সিলেট বোর্ড: পাসের হার ৭৯ দশমিক ১৩ শতাংশ সিলেট বোর্ডের অধীনে এবার ৪২ হাজার ৯৮০ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাস করে ৩৪ হাজার ৯ জন। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৬ হাজার ৪৬ জন ছাত্র এবং ১৭ হাজার ৯৬৩ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ হাজার ৫৩৫ জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে ৬ হাজার ৪৪১ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ৬ হাজার ৪১২, জিপিএ-৩ থেকে ৩ জন দশমিক ৫-এর মধ্যে ৭ হাজার ২৩০, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ১০ হাজার ৫৯১ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ১ হাজার ৮শ’ জন। দিনাজপুর বোর্ড: পাসের হার ৭১ দশমিক ৯৪ শতাংশ দিনাজপুর বোর্ডের অধীনে এবার ৮৮ হাজার ৪৪৪ পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। পাস করে ৬৩ হাজার ৬২৪ জন। উত্তীর্ণ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ৩০ হাজার ৮১৭ জন ছাত্র এবং ৩২ হাজার ৮১৭ জন ছাত্রী। জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৪৩৩ জন। জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর মধ্যে ১৪ হাজার ১৪ জন, জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর মধ্যে ১১ হাজার ৯৮৩ জন, জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর মধ্যে ১৩ হাজার ১৯, জিপিএ-২ থেকে ৩-এর মধ্যে ১৮ হাজার ২৮১ এবং জিপিএ-১ থেকে ২-এর মধ্যে পেয়েছে ২ হাজার ৮৯৪ জন।