১৯২০ সালের কথা। খ্যাতনামা সাহিত্যিক বার্ট্রান্ড রাসেল তখন চীনে। কিন্তু চীনে আসার অল্প কিছুদিন পর থেকেই তিনি এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন যে কোনো পত্রিকাকে সাক্ষাতকার দেওয়া তো দূরে থাক, এমনকি কারও সাথে কথা বলতেও কষ্ট হচ্ছিল তার। কিন্তু এটাকে বার্ট্রান্ড রাসেলের মিথ্যা অহমিকা ভেবে এক জাপানি পত্রিকা রাগ করে খবরই ছেপে দিল যে বার্ট্রান্ড রাসেল মারা গেছেন। বিষয়টা লেখকের চোখে পড়ার পর তিনি যথানিয়মে তার প্রতিবাদও পাঠালেন পত্রিকাটির দপ্তরে। কিন্তু পত্রিকাটি সেই প্রতিবাদটি না ছেপে বিষয়টা বেমালুম চেপে গেল। বলা বাহুল্য, এতে যার পর নাই ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন বার্ট্রান্ড রাসেল। এদিকে চীন থেকে ফেরার পথে রাসেল যখন জাপানের যাত্রাবিরতিতে তখন শোকসংবাদ প্রকাশ করা ঐ পত্রিকাটিসহ জাপানের খ্যাতনামা বহু পত্রিকার সাংবাদিকরা ছুটে এলেন তার সাথে কথা বলার জন্য। তবে এদের কারও সাথেই দেখা না করে বার্ট্রান্ড রাসেল তার সেক্রেটারির মাধ্যমে সকলকে একটি করে চিরকুট পাঠালেন যেখানে লেখা ছিল, ‘বার্ট্রান্ড রাসেল মারা যাওয়ায় তার পক্ষে সাক্ষাত্কার দেওয়া সম্ভব নয়।’
ইংরেজ কবি ও চিত্রশিল্পী মরিস শেষ যেবার প্যারিস ভ্রমণে গিয়েছিলেন সেবার তিনি তার ভ্রমণের বেশির ভাগ সময়ই কাটাতে লাগলেন আইফেল টাওয়ারের নিচে অবস্থিত একটা রেস্তোরাঁয়। মরিসের এক বন্ধু বিষয়টা দীর্ঘদিন ধরে লক্ষ্য করার পর না পেরে বলেই ফেললেন, ‘তা এই আইফেল টাওয়ারের মধ্যে তুমি কী এমন পেলে যে দিনের প্রায় পুরোটা তুমি এর কাছেই কাটাচ্ছো?’
‘আরে, গোটা প্যারিসের মধ্যে কেবল মাত্র এই জায়গাটাতে থাকলেই ঐ কুিসত জিনিসটা আমার চোখের আড়ালে থাকে!’—উত্তরে জানালেন মরিস।
শিক্ষক :তুমি ইংরেজিতে এতো কাঁচা বলেই তো তোমাকে কবিতাটা বাসার খাতায় পাঁচবার লিখতে বলেছিলাম। তা সে কথা না শুনে তুমি মাত্র তিনবার লিখেছ কেন?
ছাত্র :জ্বি, মানে স্যার...ইংরেজির মতো আমি অংকতেও কাঁচা কি না!
