আইপিও’র দিকে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা

আপডেট : ০৬ আগস্ট ২০১৩, ২১:৪৩
শেয়ারবাজারের প্রাইমারি মার্কেটের দিকে ধীরে ধীরে বিনিয়োগকারীরা ঝুঁকছেন। গত বছর সেকেন্ডারি মার্কেটে অব্যাহত ধসের পাশাপাশি প্রাইমারি মার্কেটেও লস (ক্ষতি) হতে থাকে। ফলে প্রাইমারি মার্কেট থেকেও বিনিয়োগকারীরা মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেন। তবে গত কয়েকমাস ধরে প্রাথমিক গণ প্রস্তাবে (আইপিও) পাওয়া শেয়ারে লাভ হওয়ায় আবার প্রাইমারি মার্কেটের দিকে ঝুঁকছেন বিনিয়োগকারীরা। তথ্যে দেখা গেছে, নবায়ন ফি না দেয়ায় গত জুন মাসে ১ লাখেরও বেশি বিও অ্যাকাউন্ট বন্ধ হয়ে গেলেও এখন আবার বিও অ্যাকাউন্ট বাড়তে শুরু করেছে। গত জুলাই মাসে ৪৩ হাজার বেনিফিশিয়ারি ওনার্স অ্যাকাউন্ট (বিও) বেড়েছে। শেয়ারবাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরে শেয়ারবাজারের সেকেন্ডারি মার্কেটে বিনিয়োগকারীরা ক্ষতির শিকার হলেও প্রাইমারি মার্কেটে কিছুটা লাভ পাওয়া যাচ্ছে। ফলে বিও অ্যাকাউন্ট খোলার হার বেড়ে গেছে। একইসঙ্গে সামপ্রতিক সময়ে যেসব কোম্পানি বাজারে এসেছে তাদের আইপিও আবেদনেও সাড়া ধীরে ধীরে বেড়েছে। এদিকে এবছর যে হারে বিনিয়োগকারীরা বিও খুলছেন, তাতে বন্ধ হওয়ার চেয়ে খোলার সংখ্যাই বেশি হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। জানা গেছে, জুলাই মাসের শুরুতে বিও একাউন্ট ছিল ২৫ লাখ ৬৫ হাজার ২৫৮টি। যা আগস্ট মাসের ৫ তারিখে অর্থাত্ গত সোমবার ৪৩ হাজার ১৭০টি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৬ লাখ ৮ হাজার ৪২৮টিতে। এর মধ্যে ১৯ লাখ ৩৯ হাজার ৩৯৪টি পুরুষ, ৬ লাখ ৫৯ হাজার ৫৫৬টি মহিলা এবং ৯ হাজার ৪৭৮টি কোম্পানি একাউন্ট রয়েছে। বর্তমানে দেশের মধ্যে থাকা নাগরিকের বিও ২৪ লাখ ৬২ হাজার ৮২৭টি ও প্রবাসীদের বিও অ্যাকাউন্ট রয়েছে ১ লাখ ৩৬ হাজার ১২৩টি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নবায়ন ফি দেয়াকে কেন্দ্র করে একসাথে অনেক বিও ঝরে পড়লেও এখন নিয়মিতভাবে বাড়তে শুরু করেছে। জানা গেছে, বিও নবায়ন করার জন্য একটি নির্দিষ্ট সময় বেধে দেয়া হয়। যার মধ্যে নবায়ন ফি দেয়া না হলে বিও বাতিল হয়ে যায়। ফলে একসাথে অনেক বিও ঝরে পড়ে। তবে বিও অ্যাকাউন্টে শেয়ার থাকলে তার টাকার মূল্য যদি নবায়ন ফির চেয়ে বেশি হয় তবে অ্যাকাউন্ট বন্ধ করা হয় না। গত জুন মাসের শুরুতে বিও একাউন্ট ২৬ লাখ ৮০ হাজার ৬৫১টি থাকলেও নবায়ন না করায় মাসশেষে প্রায় একসাথে ১ লাখ ১৫ হাজারটি বিও অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেয়া হয়।