ধর্ষিতার ইজ্জতের মূল্য ১ লক্ষ টাকা !

আপডেট : ০৭ আগস্ট ২০১৩, ২১:৪৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার কায়েমপুর গ্রামে বাক প্রতিবন্ধী এক কিশোরীকে একই গ্রামের কালু মিয়ার পুত্র শাহিন মিয়া পার্শ্ববর্তী ইদ্রিছ মিয়ার ফাঁকা বাড়ির রান্নাঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। এ ঘটনায় মঙ্গলবার স্থানীয় বারেক মিয়ার বাড়িতে এক সালিশের মাধ্যমে ধর্ষককে ১ লক্ষ টাকা জরিমানা ও জুতাপেটা করা হয়। বাক প্রতিবন্ধী কিশোরী ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়াশুনা করে। স্কুলে কোচিং শেষে বাড়ি ফেরার পথে এঘটনা ঘটে। স্থানীয় কায়েমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের সদস্য মো. ফিরোজ মিয়ার সভাপতিত্বে সালিশ সভায় উপস্থিত ছিলেন বারেক মিয়া, ঝাড়ু মিয়া সর্দার, ধর্ষক শাহিনের বাবা, জামাল সর্দার। বাক প্রতিবন্ধীর পরিবারের লোকজন বলেন, ইউপি সদস্য মামলা করতে নিষেধ করেছেন। কসবা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. বদরুল আলম তালুকদার বলেন, ধর্ষণের ঘটনায় কেউ মৌখিক বা লিখিত কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।