মিরসরাইয়ের মহামায়ায় হাজারো মানুষের ভিড়

আপডেট : ১২ আগস্ট ২০১৩, ২১:৪৭
প্রকৃতির লীলাভূমি মহামায়ার দুই পাশে উঁচু পাহাড়, সারি সারি বৃক্ষ, পাহাড়ের বুক চিরে চলে যাওয়া লেক, লেকে নৌকা আর ইঞ্জিন বোটের ছুটোছুটি যেন অন্যরকম এক সৌন্দর্য রচিত হয়েছে। বিভিন্ন বিনোদন সম্বলিত ঈদের পরের দিনগুলোতে পর্যটকের ঢল নেমেছে মহামায়ায়। চট্টগ্রাম থেকে ৭০ কিলোমিটার মিরসরাই, মিরসরাই থেকে ৩ কিলোমিটার উত্তরে মহাসড়ক থেকে ১ কিলোমিটার পূর্বেদিকে ‘মহামায়া লেক’। দর্শনার্থীদের থাকা-খাওয়ার জন্য মিরসরাই, শীতাকুণ্ড এবং ফেনী কিংবা চট্টগ্রামে হোটেলে থাকতে হবে। দর্শনার্থীদের লেকে ঘুরতে ১০ টাকার টিকেট কাটতে হবে। এখানে ঈদের পরের দিনগুলোতে প্রতিদিন ১০ থেকে ১৫ হাজার দর্শনার্থী ভ্রমণে আসে। অন্যান্য সময় এক থেকে দেড় হাজার লোকের সমাগম ঘটে। স্কুল শিক্ষিকা এমিলি দেওয়ান বলেন, মহায়ামা লেক যেন পার্বত্যাঞ্চলের কাপ্তাই লেকের প্রতিচ্ছবি। স্বামী সাংবাদিক জিতেন বড়ুয়া, আত্মীয় বাসন্তী চাকমা, খাগড়াছড়ির সাংবাদিক নূরুল আজমসহ অন্যরা লেকের এ অপরূপ সৌন্দর্যে বিমোহিত। কলেজ ছাত্র তানভীর হোসেন বলেন, মহামায়ার এ দৃশ্য জীবনে প্রথম উপভোগ করলাম। ২০১০ সালের ২৯ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ প্রকল্পের উদ্বোধন করেন। বন ও পরিবেশ মন্ত্রণালয় থেকে ইজারা নেয়া মেসার্স আহসান ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী এস এম আবু সুফিয়ান বিপ্লব জানান, ঈদে দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আমরা মহামায়াকে সাজাতে পাইলট প্রকল্প গ্রহণ করেছি। আশা করছি শ্রীঘ্রই দর্শনার্থীরা কাঙ্ক্ষিত সুবিধা পাবেন।