ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সন্ত্রাসীদের হামলায় শিক্ষকসহ আহত ৩

আপডেট : ১৫ আগস্ট ২০১৩, ২১:২৮
ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় পূর্ব বিরোধের জের ধরে এক স্কুল শিক্ষক ও তার পরিবারের তিনজনকে কুপিয়ে গুরুতর আহত করেছে সন্ত্রাসীরা। এসময় সন্ত্রাসীরা ১৪ ভরি স্বর্ণালংকার, নগদ সাড়ে ৪ লক্ষ টাকা, ৪টি হালের গরু এবং ফ্রিজ ও টেলিভিশন লুট করে নিয়ে যায়। জানা যায় সদর উপজেলার বাসুদেব ইউনিয়নের কোড্ডা গ্রামের স্কুল শিক্ষক ও ওই ইউনিয়নের সাবেক আওয়ামী লীগের সভাপতি আবুল হাসেম ওরফে আসাদ মাস্টারের সাথে জমির খান, সালমান খান এবং আলী মিয়ার মামলা সংক্রান্ত ঘটনার বিরোধ চলে আসছিল। গত বুধবার গভীর রাতে ৮/১০ জন দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে আবুল হাসেমের বাড়িতে হামলা চালিয়ে তাদের গুরুতর আহত করে। আহতরা হলেন আবুল হাসেম ওরফে আসাদ মাস্টার (৭৫), তার স্ত্রী আসমা বেগম (৬৬) ও ছোট ছেলে মাকসুদ মিয়া (২৫)। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের প্রথমে জেলা সদর হাসপাতাল ও পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। সদর থানায় দায়ের করা মামলার বাদি আসাদ মাস্টারের ছেলে মাসুম মিয়া জানান, স্থানীয় সন্ত্রাসী ও কোড্ডা গ্রামের জমির খান, সালমান খান ও আলী মিয়ার নেতৃত্বে ৮/১০ জনের সশস্ত্র সন্ত্রাসীরা তাদের ওপর হামলা চালায় ও দা দিয়ে এলোপাতাড়ি কোপায়। সন্ত্রাসীরা তার বাবার মাথায় দা দিয়ে কোপ দেয়, বল্লম দিয়ে বুকে আঘাত করে। আহত তিনজনের মধ্যে তার বাবার অবস্থাই বেশি আশঙ্কাজনক। ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোঃ আব্দুর রব জানান, ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে আব্দুর রউফ নামে এক সন্ত্রাসীকে আটক করা হয়েছে। বিজয়নগরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ২৫ বৃহস্পতিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের সংঘর্ষে মহিলাসহ কমপক্ষে ২৫ জন আহত হয়েছে। জানা যায়, উপজেলার মুকন্দপুর ইউনিয়নের চান্দপুর গ্রামের হুমায়ুন কবীর ও জাহাঙ্গীর মৃধার মধ্যে একটি পুকুরের মালিকানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। এর জের ধরে হুমায়ুন কবীরের লোকজন দুপুরে ওই পুকুরে মাছ ধরতে গেলে প্রভাবশালী জাহাঙ্গীর মৃধার নেতৃত্বে অর্ধশতাধিক লোক তাদের উপর হামলা চালায়। পরে উভয়পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম, পিয়ারা বেগম, আব্দুল হামিদ, হুমায়ুন কবীর, আবুল কালাম, কবির হোসেন ও তারেক রহমানকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বিজয়নগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রসুল আহমেদ নিজামী জানান, এখন পর্যন্ত কোন পক্ষ মামলা দায়ের করেনি।