ঝিনাইদহ জেলার উপর দিয়ে প্রবাহিত মরে যাওয়া নদনদীগুলোর পানি দূষণের ফলে মাছ মারা যাচ্ছে। ভেসে ওঠা মাছ নদীতীরের লোকজন ধরে নিয়ে যাচ্ছে। বৃষ্টির অভাবে নদীগুলোর পানি তলানিতে ঠেকেছে। গত কয়েক বছর ধরে চাষিরা নদীতে পাট জাগ দিয়ে আসছে। কুমার, কালী, ডাকুয়া, নবগঙ্গা, চিত্রা, ভৈরব, ফটকি ও বেগবতী নদীতে এবার অধিক পরিমাণে পাট জাগ দেয়া হয়েছে। নদীগুলোতে স্রোত না থাকা ও পানি দূষিত হয়ে বিবর্ণ হয়ে গেছে। মাছ মারা যাচ্ছে। আবার অনেক মাছ পানিতে অক্সিজেনের অভাবে উপরে ভেসে উঠছে। যশোর জেলা মত্স্য কর্মকর্তা এবং মাছ বিশেষজ্ঞ রমজান আলি জানান, নদীতে একেবারেই পানি কম। গত ৪ বছর এ অঞ্চলে বৃষ্টিপাত কম হচ্ছে। নদী ভরছে না। অধিক পাট জাগের কারণে পানিতে অক্সিজেনের পরিমাণ কমে গেছে । অপরদিকে হাইড্রোজেন সালফাইটের পরিমাণ বেড়ে গেছে। এতে সকল প্রকার মাছ ও জলজ প্রাণীর বেঁচে থাকা কষ্টকর হয়ে পড়েছে। তিনি বলেন, শুধু নদী নয় বিল-বাঁওড়ের পানিও দূষিত হয়ে মাছ মারা যাচ্ছে। কোটচাঁদপুর উপজেলার জয়দিয়া সরকারি বাঁওড়ের পানি দূষিত হয়ে প্রায় ৫০ টন মাছ মারা গেছে।
