নারী উদ্যোক্তার বিকাশ এবং সমৃদ্ধ শিল্প খাত

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৩, ২১:২৬
দেশে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা বাড়ছে । হস্ত ও কুটির শিল্প থেকে শুরু করে নানা ধরনের ব্যবসা-বাণিজ্যে যুক্ত হচ্ছেন তাঁরা। দেশে এখন নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা কত তার সঠিক কোনো পরিসংখ্যান নেই। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তা (এসএমই) ফাউন্ডেশনসহ উদ্যোক্তাদের নিয়ে কর্মরত সংস্থাগুলোর কাছে দেশে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা ও বিনিয়োগ সম্পর্কে সঠিক কোনো পরিসংখ্যান পাওয়া যায়নি। তবে অবস্থা দৃষ্টে মনে হয়, দেশে নারী উদ্যোক্তার সংখ্যা আগের তুলনায় বেড়েছে। সামাজিক পরিবেশ ও মানসিকতার পরিবর্তন হওয়ায় ঘর থেকে কাজের জন্য নারীদের বের হওয়ার বাধা অনেকটাই দূর হয়েছে। আমাদের বাংলাদেশের মতো দেশে এসএমই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সামগ্রিক অর্থনীতিতে। বিকাশমান এসএমই খাত দারিদ্র্যবিমোচনের মাধ্যমে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির গতিকে অনেকটাই বাড়িয়ে দিতে সক্ষম। এর মাধ্যমে শুধুমাত্র অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ঘটে না, সামাজিক স্থিতিশীলতার ভিত্তিও বেশ জোরালো হয়ে ওঠে। আমাদের শিল্পভিত্তিক অর্থনীতির কথা বিবেচনা করলে তাতে এসএমই-র কার্যকারিতা অনেক বেশি। বেসরকারি খাতের শিল্পপ্রতিষ্ঠানের প্রায় শতকরা ৯৯ ভাগ এসএমই-র অন্তর্ভুক্ত। অকৃষি খাতের প্রায় শতকরা ৮০ ভাগ শ্রমশক্তি ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোগের সঙ্গে সম্পৃক্ত। বর্তমান সামাজিক ও রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে সামগ্রিক অর্থনীতিতে যে অনিশ্চয়তার কালো ছায়া পড়েছে তেমন প্রেক্ষাপটে আমাদের কোনোভাবেই এসএমই খাতকে অবহেলিত এবং গুরত্বহীন অবস্থানে রাখার কথা ভাবা উচিত নয়। বরং এটাকে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে প্রাণ সঞ্চারকারী শক্তি হিসেবে বিবেচনা করা দরকার। এসএমই খাত উদ্যোক্তা সৃষ্টি, বেসরকারি খাতের দ্রুত বিকাশ এবং কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টির প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়ে থাকে সাধারণত। ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত গ্রাম ও শহর উভয় এলাকাতেই ছড়িয়ে আছে। শহরের তুলনায় গ্রামেই এ ধরনের উদ্যোক্তার সংখ্যা বেশি দেখা যায়। গ্রামীণ এলাকায় কৃষিকাজ ছাড়া মোট জনশক্তির বিরাট অংশ এখন এ ধরনের ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের শিল্প ও ব্যবসা উদ্যোগের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট রয়েছেন। এ কারণেই এসএমই খাত গ্রামীণ অর্থনীতিতে দিনে দিনে বেশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। আর এ খাতকে আরো জোরদার করতে সরকারের নানামুখি উদ্যোগ এখন বেশ চোখে পড়ছে সবার। দেশের বিকাশমান এসএমই খাতে নারী উদ্যোক্তা ও শ্রমিকের সংখ্যাও চোখে পড়ার মতো। বাড়িকেন্দ্রিক মাইক্রো এন্টারপ্রাইজে কাপড়-চোপড় তৈরি (বুটিক এবং হস্তশিল্প, তাঁত প্রভৃতি), গবাদিপশু পালন, দুগ্ধ খামার, হাঁস-মুরগির পোলট্রি খামার ইত্যাদির প্রাধান্য লক্ষ করা যায। এগুলোর মধ্যে প্রায় ১০ ভাগ উদ্যোক্তাই নারী। ফলে এসএমই খাত বাংলাদেশের নারীদের ভাগ্য পরিবর্তনের পাশাপাশি তাদের সামাজিক অবস্থানের ভিত্তিও জোরালো করে তুলছে ক্রমেই। এসএমই খাতে বিদ্যমান নানা প্রতিকূলতা দূর করে পর্যাপ্ত পুঁজি সরবরাহসহ কারিগরি প্রশিক্ষণ, অবকাঠামোর উন্নয়ন, উত্পাদিত পণ্যের নতুন বাজার সৃষ্টির বিভিন্নমুখী উদ্যোগ সাম্প্রতিক বছরগুলোতে চমত্কার ফলাফল বয়ে আনতে সক্ষম হয়েছে। ২০০৬ সালে এসএমই ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে এক্ষেত্রে নবজাগরণ সৃষ্টি হয়েছে। এখন সরকারি ও বেসরকারি সব ব্যাংকেই এসএমই খাতে অর্থায়নের জন্য বিশেষভাবে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় প্রতিটি ব্যাংকেই আলাদা এসএমই ডিভিশন খোলা হয়েছে। এর মাধ্যমে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের প্রকল্পগুলোর সম্ভাব্যতা যাচাই থেকে শুরু করে প্রয়োজনীয় ঋণ বিতরণ এবং ঋণগ্রহণকারী প্রকল্পসমূহের কর্মকাণ্ড মনিটরিং ও মূল্যায়নের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। নারী উদ্যোক্তা সৃষ্টির লক্ষ্যে আরো বেশকিছু উত্সাহব্যঞ্জক পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নানামুখি প্রস্তাব রয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য একটি হলো, নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা শুরুর প্রথম তিন বছর ভ্যাট থেকে অব্যাহতি দেওয়া। আসলে ভালো উদ্যোক্তা তৈরি করতে হলে কিছু কিছু সুবিধা তো দিতে হবে। কারণ একজন নতুন উদ্যোক্তার ব্যবসা বুঝতেই দুই থেকে তিন বছর সময় লেগে যায়। নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তায় চলতি অর্থবছরে বাজেটে ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত ২০ কোটি টাকাও ছাড় পাওয়া যায়নি। নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা করতে কেবল বরাদ্দ নয়— সহজ শর্তে ঋণের ব্যবস্থা করতে হবে। দেশের মোট জনসংখ্যার অর্ধেক নারী। প্রতিবছরই নতুন নারী উদ্যোক্তা তৈরিতে এবং পুরনো ও নতুন নারী উদ্যাক্তাদের সহায়তায় নানা রকম উত্সাহমূলক উদ্যোগের কথা বলা হলেও আসলে তার অতি সামান্যই বাস্তবায়ন হয়। নারীর অংশগ্রহণ না বাড়লে অর্থনীতিতে গতিশীলতা আসবে না। তাই নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তায় আর্থিক ও নীতিগত সহায়তার প্রয়োজন রয়েছে। বাংলাদেশে অনেক উত্সাহী নারী উদ্যোক্তা পর্যাপ্ত অর্থায়নের অভাবে ব্যবসা করতে পারছেন না, অতি সামান্য যে ব্যাংকঋণ পাওয়া যায় তাতেও গুনতে হয় উচ্চ হারের সুদ। নারী উদ্যোক্তাদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে একক সুদের হারে ব্যাংকঋণ প্রদানের সুপারিশ করা হয়েছে নারী উদ্যোক্তাদের সংগঠনগুলোর পক্ষ থেকে। নারী উদ্যোক্তাদের পদে পদে নানা বাধা-বিপত্তির মুখোমুখি হতে হয়। পর্যাপ্ত পুঁজির অভাবে তাঁরা ব্যবসার প্রসার ঘটাতে পারেন না। পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকেও জোটে না আর্থিক সহযোগিতা। এ ক্ষেত্রে একজন নারী নিজে কোনোভাবে কিছু অর্থ জমিয়ে ব্যবসা শুরু করতে পারলেও শেষ পর্যন্ত ব্যবসা চালিয়ে যেতে অর্থ সংকটে পড়েন। ঋণ পেতে ব্যাংকে গেলেও নানাভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়। বাংলাদেশ ব্যাংক এসএমই খাতে নারী উদ্যোক্তাদের পর্যাপ্ত ঋণ পাওয়ার ক্ষেত্রে অনেক নির্দেশনা জারি করলেও তাঁরা কেবলই অসহযোগিতার মুখোমুখি হন। সব জটিলতা বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত ঋণ পান তখন তাঁদের উচ্চ হারে সুদ গুনতে হয়— এতোসব বাধা পার হয়ে নারীর পক্ষে ব্যবসা শুরু করে তা সফলভাবে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না। সরকারি উদ্যোগ এবং বিভিন্ন মহলের যথেষ্ট আন্তরিকতা থাকলেও এসএমই খাতকে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করতে হচ্ছে এখনও। এসব চ্যালেঞ্জ ও প্রতিকূলতার মধ্যে আছে পর্যাপ্ত মূলধনের যোগানে ব্যর্থতা, বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার প্রতিকূল বিধি-বিধান, অবকাঠামোগত সমস্যা (বিশেষত বিদ্যুত্ সংকট), আধুনিক প্রযুক্তি জ্ঞানের অভাব, দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার সংকট, উচ্চ উত্পাদন ব্যয়, উত্পাদিত পণ্যের বাজারজাতকরণ ও উপযুক্ত মূল্য প্রাপ্তিতে নানা বাধা, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য, রাজনৈতিক অস্থিরতা, স্থানীয় মাস্তান ও চাঁদাবাজদের চাঁদাবাজি ইত্যাদি। এতোসব বাধা-বিপত্তি অতিক্রম করে যেখানে পুরুষ উদ্যোক্তারা টিকে থাকতে পারছেন না সেখানে নারী উদ্যোক্তাদের হাল কী হতে পারে সহজেই অনুমান করা যায়। এখন বৃহত্ শিল্প ও বিদেশ থেকে আমদানিকৃত পণ্যের সঙ্গে কঠিন প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে এসএমই শিল্পজাত পণ্যকে। বিভিন্ন ব্যাংক ও অর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের প্রচলিত নীতিমালা ও কর্মকর্তাদের অসহযোগিতামূলক মনোভাবের কারণে অনেক নারী উদ্যোক্তা সবকিছু ঠিকঠাক মতো গুছিয়ে আনার পরেও প্রয়োজনীয় ঋণ পান না। ফলে তাঁরা হতোদ্যম হয়ে মাঝপথে থেমে পড়ছেন। প্রায় ক্ষেত্রে বিভিন্ন ঋণ প্রদানকারী ব্যাংক ও প্রতিষ্ঠানের চাহিদা অনুযায়ী সহযোগী জামানতসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় শর্তপূরণে ব্যর্থ হচ্ছেন তাঁরা। এ কারণে অনেক নারী উদ্যোক্তা শুরুতে ভীষণ উত্সাহ-উদ্দীপনা নিয়ে এসএমই খাতে কাজ শুরু করলেও এখন তাঁরা অনেকটা উত্সাহ হারিয়ে ফেলছেন। এই খাতের দ্রুত বিকাশের পথে প্রশাসনিক ও নিয়ন্ত্রণকারী বিভিন্ন দপ্তর এবং প্রতিষ্ঠানের আমলাতান্ত্রিক মনোভাব, প্রচলিত পুরনো বিধি-বিধানের প্রয়োগ বড় বাধার প্রাচীর হয়ে দাঁড়িয়ে আছে এখনও। আজকাল বিভিন্ন সরকারি অফিসে বিশেষত বিদ্যুত্, গ্যাস পানির লাইনের সহযোগ পেতে পুরুষ উদ্যোক্তারা যেভাবে হয়রানি হন, নারী উদ্যোক্তাদের হয়রানির পরিমাণ আরো বেশি, একইভাবে ট্রেড লাইসেন্স প্রাপ্তিতেও নানা ঝামেলা পোহাতে হয়। বিভিন্ন বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এসএমই খাতে ঋণ দিতে গিয়েও বাংলাদেশ ব্যাংকের বেঁধে দেওয়া নিয়ম কানুন, বিধি অনুযায়ী ঋণগ্রহীতা নির্বাচনে দ্বিধা-দ্বন্দ্বে পড়ছেন। এ কারণে বাংলাদেশ ব্যাংকের শতকরা ১০০ ভাগ রিফাইন্যানসিং-এর সুযোগ গ্রহণ করতে গিয়ে হিমশিম খেতে হচ্ছে ব্যাংকগুলোকে। আজকাল অনেক ব্যাংকই সময়োপযোগী নতুন নতুন এসএমই ঋণ কর্মসূচি ও স্কিম চালু করছে। বিশেষ করে নারী উদ্যোক্তাদের জন্য এ ধরনের স্কিম চালু করা হলেও সব শর্ত পূরণ করে অধিকাংশই সুযোগ লাভে বঞ্চিত হচ্ছেন। নারী উদ্যোক্তারা সাধারণত মাঝারি ও ক্ষুদ্র খাতের ব্যবসায়ী। এসব ব্যবসায়ীর উত্পাদিত পণ্য বিপণনের সুব্যবস্থা নেই। নারী উদ্যোক্তা ব্যবসায়ীদের উত্পাদিত পণ্য বাজারজাতকরণে তৃণমূল পর্যায়ে বিপণনকেন্দ্র নির্মাণে সরকারি উদ্যোগ গ্রহণ করা জরুরি হয়ে উঠেছে। প্রশিক্ষণের অভাবে নারীরা এসএমই উদ্যোক্তা হিসেবে তেমন এগোতে পারছেন না। অথচ যথাযথ প্রশিক্ষণ দেওয়া হলে নারী উদ্যোক্তারা ব্যবসাক্ষেত্র নির্বাচন, গুণগত মানের পণ্য উত্পাদন এবং বাজারের গতি-প্রকৃতি সঠিকভাবে বুঝতে পারবেন। তাই তৃণমূল পর্যায়ের নারীদের জন্য প্রশিক্ষণের সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে। প্রশিক্ষনের সুযোগ সৃষ্টিতে সরকারের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে এগিয়ে আসতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণকে উত্সাহিত করতে হবে। নারী উদ্যোক্তাদের ব্যবসা-বাণিজ্যে আগ্রহী করতে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। সরকারের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তায় ‘হেলপ ডেস্ক’ করার ঘোষণা দেওয়া হলেও মাত্র গুটিকতক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার বাস্তবায়ন হয়েছে। অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানে এ বিষয়ে কোনো উদ্যোগ দেখা যায় না। এ বিষয়টিকে গুরুত্বপূর্ণ বিবেচনা করা প্রয়োজন। এসএমই খাতে নারী উদ্যোক্তাদের নানা সমস্যা, বাধা-বিপত্তি দূরীকরণে নারী উদ্যোক্তা ফোরাম এবং এসএমই ফাউন্ডেশনকে আরো তত্পর ও সচেষ্ট হতে হবে। এ বিষয়ে তারা নজরদারি করতে পারে। তাদের নজরদারির কারণে প্রকৃত নারী উদ্যোক্তারা বিভিন্ন ব্যাংক ও অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানে এসএমই ঋণ স্কিমের সুযোগ গ্রহণ করতে পারেন। নারী উদ্যোক্তাদের স্বার্থ সংরক্ষণে এসএমই ফাউন্ডেশন ইতিমধ্যে নানামুখি উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। তবে তার বাস্তব প্রয়োগ আগামী দিনগুলোতে এসএমই খাতে অনেক কার্যকর এবং শুভ ফলাফল বয়ে আনতে পারে। স্রেফ দেশীয় বাজারেই নয় আন্তর্জাতিক বাজারেও এসএমই খাতে উত্পাদিত বিভিন্ন পণ্য বিপণনের লক্ষ্যে বৃহত্ উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে। বিদেশের চাহিদা ও পছন্দ অনুযায়ী উন্নতমানের পণ্য উত্পাদনে আলাদা গবেষণা ও বাজার যাচাইয়ের প্রয়োজন রযেছে। এর মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে প্রবেশ করতে সক্ষম হলে তার সুফল ভোগ করবে আমাদের বাংলাদেশ। আর এজন্য জরুরিভাবে এসএমই নীতিমালাকে আরো আধুনিক, যুগোপযোগী এবং গতিশীল করার বিকল্প নেই। ঢাকা