পিঁয়াজের ঝাঁজ বাড়ছেই, কমছে সবজির দাম

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৩, ২৩:০২
ঈদের ছুটি ও হরতাল শেষে বাজারে সরবরাহ বাড়ায় কমতে শুরু করেছে সবধরনের সবজির দাম। তবে অস্থিরতা কাটেনি পিঁয়াজের বাজারে। গতকালও খুচরা বাজারে আমদানি করা পিঁয়াজ প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৭৫ টাকা ও দেশি পিঁয়াজ ৬৫ থেকে ৬৭ টাকায় বিক্রি হয়। কাওরানবাজারের পাইকারী পিঁয়াজ ব্যবসায়ী জমির আলী জানিয়েছেন, বাজারে চাহিদার তুলনায় পিঁয়াজের সরবরাহ কম। কারণ ভারতে পিঁয়াজের দাম বাড়ায় আমদানি কমেছে। আমদানি বাড়লে এ সমস্যা কেটে যাবে। এদিকে কলকাতার আনন্দবাজার পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, সেখানে পিঁয়াজ প্রতি কেজি ৭০ থেকে ৮০ রুপি দরে বিক্রি হচ্ছে। কলকাতার বাজারে পিঁয়াজের দাম কমিয়ে আনতে সরকারিভাবে ৩৬ রুপি দরে বৃহস্পতিবার থেকে খোলা বাজারে পিঁয়াজ বিক্রি শুরু হয়েছে বলে ওই প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রাজধানীর কাওরানবাজার, নিউমার্কেট ও শান্তিনগর বাজারে খোঁজ নিয়ে বিভিন্ন ধরনের সবজির দাম কমার খবর পাওয়া গেছে। ব্যবসায়ীরা বলেছেন, হরতালে পরিবহন সমস্যার কারণে মোকাম থেকে মাল আসেনি। এছাড়া ঈদের ছুটিতে মোকাম প্রায় বন্ধই ছিল। এখন সরবরাহ বাড়ায় সবজির দাম কমতে শুরু করেছে। যদি দেশে একটানা বৃষ্টিপাত না হয়, তাহলে সবজির দাম আরো কমবে বলে তারা জানান। গতকাল বাজারভেদে পটল, চিচিঙ্গা ও ঢেঁড়স ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, শশা ২০ থেকে ২৫ টাকা, পেঁপে ১৮ থেকে ২০ টাকা, করল্লা ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, কাঁকড়ল ২৫ থেকে ৩০ টাকা, মূলা ৩০ থেকে ৩৫ টাকা, লতি ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, বেগুন ৪০ থেকে ৫৫ টাকা, আলু ১৮ থেকে ২০ টাকা, সীম ৮০ থেকে ৯০ টাকা ও টমেটো ১০০ থেকে ১১০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। কিন্তু দুই-তিনদিন আগেও বেগুন ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, পটল ও ঢেঁড়স ৪০ থেকে ৪৫ টাকা, কাঁকড়ল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, করলা ৭০ থেকে ৮০ টাকা ও শশা ৮০ থেকে ৯০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। শান্তিনগর বাজারের সবজি ব্যবসায়ী রুহুল বলেন, দেশে এবার প্রচুর সবজি হয়েছে। কিন্তু ঈদের বন্ধ ও হরতালের কারণে দাম বেড়েছিল। এখন হরতাল শেষে দেশের বিভিন্ন মোকাম থেকে সবজি আসা শুরু হয়েছে। তাই দামও কমছে। আগামী দুই-একদিনের মধ্যে দাম আরো কমবে। শিমসহ কয়েকটি সবজির দাম বেশি প্রসঙ্গে একই বাজারের আরেক ব্যবসায়ী লোকমান বলেন, শিম নতুন উঠেছে। তাই দামটা একটু বেশি। সরবরাহ বাড়লে শিমের দামও কমে যাবে।