প্র জ ন্মে র ফে স বু ক

বিসিএস আওয়ার গোল

আপডেট : ১৮ আগস্ট ২০১৩, ২০:১৪
রাষ্ট্রীয় কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনার জন্য প্রয়োজন হয় একদল সুদক্ষ কর্মকর্তা ও কর্মচারীর। সাধারণত নাগরিকদের মধ্যে যারা সবচেয়ে উপযুক্ত ও দক্ষ তাদের নিয়োগ দেওয়া হয় রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানে। নাগরিকদের মধ্যে দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারী বাছাই ও নিয়োগের প্রক্রিয়াটি ঘটে বিসিএস উত্তীর্ণদের দিয়ে। দেশের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত করার লক্ষ্যে অতি স্বাভাবিকভাবেই বিসিএস-এর প্রতি আকৃষ্ট হয় এই প্রজন্ম। সেই লক্ষ্য থেকেই বিসিএস-এ উত্তীর্ণ হওয়ার লক্ষ্যে নানা প্রস্তুতি এবং অজানাকে জানার আগ্রহ নিয়ে ফেসবুক গ্রুপ ‘বিসিএস আওয়ার গোল’ কাজ করে যাচ্ছে। একজন বিসিএস ক্যাডার হিসেবে যারা নিজেদের ক্যারিয়ার গড়তে চান তারাই এখানে নানা আলোচনায় অংশ নেন। অনেকটা ঘরে বসেই বিসিএস কোচিংয়ের মতোই বলা চলে। বিসিএস প্রস্তুতি নিয়ে নানা আলোচনা, অভিজ্ঞতা, নতুন নতুন তথ্য-উপাত্ত নিয়ে গড়ে উঠে অনলাইন আড্ডা। গ্রুপটিতে মোট সদস্য সংখ্যা ১০,৫৩০ জন। মোট ১৭ জন অ্যাডভাইসরি কাউন্সিল সদস্য রয়েছেন, কোর কাউন্সিলর হিসেবে রয়েছেন ১০ জন। কোর এডিটর হিসেবে রয়েছেন আরও ১০ জন। এসিইও হিসেবে রয়েছেন সালমান এইচ সানী ও মোহাম্মদ রাইহান। আর পেজটির সিইও হিসেবে রয়েছেন জনতা ব্যাংকের এক্সিকিউটিভ অফিসার মাহবুব হাসান শোভন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পদার্থ বিজ্ঞানে পড়াশোনা শেষ করেন তিনি। জানালেন, শুধু পাঠ্যপুস্তকই নয়, বিসিএস পরীক্ষায় ভালো করতে চাইলে বহুমুখী পড়াশোনার বিকল্প নেই। তাই এ পরীক্ষার প্রস্তুতি নিতে হয় গুরুত্ব সহকারে। অল্প সময়ে তাড়াহুড়ো করে প্রস্তুতি নিলে হবে না। একাগ্রচিত্তে সময় নিয়ে রুটিনমাফিক পড়াশোনা করতে হবে। চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। তবেই নিজেকে আপডেট রাখা যাবে। সিলেবাসের অন্তর্ভুক্ত বিষয়গুলো সম্পর্কে খুব ভালো ধরাণা রাখতে হবে। সব বিষয়েই ভালো ধারণা রাখা চাই। কারণ বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার সুনির্দিষ্ট কোনো সিলেবাস নেই। ভালোভাবে প্রস্তুতি নিলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে এবং আত্মবিশ্বাসটাই এ পরীক্ষা উতরে যেতে সহায়ক হবে। এক্ষেত্রে ফেসবুকের এই গ্রুপটি বিসিএস প্রস্তুতির ক্ষেত্রে অনেকটা সহায়ক ভূমিকা পালন করার চেষ্টা করে।