আরো ৭২টি মামলা প্রত্যাহারে সুপারিশ

আপডেট : ২২ আগস্ট ২০১৩, ২৩:০২
রাজনৈতিক হয়রানিমূলক বিবেচনায় আরও ৭২টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করেছে এ সংক্রান্ত জাতীয় কমিটি। এরমধ্যে বর্তমান সংসদ সদস্য সুবিদ আলী ভুঁইয়া ও আমানুর খানের বিরুদ্ধেও মামলা রয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহার সংক্রান্ত জাতীয় কমিটির ৩১তম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন আইন প্রতিমন্ত্রী এ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম। বৈঠক শেষে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বৈঠকে ২৭৭টি মামলা উপস্থাপন করা হয়েছিল। এরমধ্যে ১৬৬টি রাজনৈতিক মামলা ও ১১১টি বিভিন্ন প্রাসঙ্গিক বিষয়ের মামলা ছিল। এগুলোর মধ্যে ৪২টি রাজনৈতিক মামলা এবং ৩০টি প্রাসঙ্গিক বিষয়ের মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। এসব মামলার সবগুলোই দলের জেলা পর্যায়ের কমিটি থেকে প্রত্যাহারের জন্য সুপারিশকৃত। সুপারিশ করার মামলার মধ্যে দু’একটি হত্যা মামলাও রয়েছে। তবে কোনো মাদক মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করিনি। রাজনৈতিক বিবেচনায় মামলা প্রত্যাহারের আর কোন আবেদন নেই জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহার সংক্রান্ত আর কোন বৈঠকের প্রয়োজন নেই বলেই মনে করছি। তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে সাংবাদিক টিপু সুলতানের আলোচিত নির্যাতন মামলাটি প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছিল। তবে এ মামলাটি প্রত্যাহারের সুপারিশ বাতিল করা হয়েছে। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে টিপু সুলতান বাদী হয়ে জয়নাল হাজারীকে প্রধান আসামি করে ফেনী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। বিএনপি নেতা এহছানুল হক মিলন ও সচিবালয়ে বোমা বিস্ফোরণের অভিযোগে বিরোধী দলীয় নেতাদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে আইন প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিগত চারদলীয় জোট সরকারের আমলে সাবের হোসেন চৌধুরীর বিরুদ্ধে প্লেট চুরির মামলাসহ বর্তমান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, মুনতাসির মামুন, সাংবাদিক শাহরিয়ার কবির ও এনামুল হকসহ অনেককেই হয়রানি করা হয়েছে। সাংবাদিকদের অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে বিরোধীদলীয় নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করা হয়নি। যেগুলো করা হয়েছে সেগুলো সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতেই ।