ফোকাস

সফলতার সাথে এগিয়ে চলছে ডিআইইউ

আপডেট : ২৩ আগস্ট ২০১৩, ১৯:২০
এইচএসসি পাসের পর শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার বিষয় নির্ধারণ করতে গিয়ে হিমশিম খেয়ে যায়। কারণ কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কোন বিষয়টি উন্নত ক্যারিয়ারের জন্য নির্বাচন করা যায় সেই ধারণা তারা আগে থেকেই পায় না। ১৯৯৫ সালে ড. এবিএম মফিজুল ইসলাম পাটোয়ারীর একক প্রচেষ্টায় প্রতিষ্ঠার পর থেকে সুনাম কুড়িয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। বিশেষ করে গত ১৭ বছরে তারা প্রতিষ্ঠিত করতে পেরেছেন ব্যবসায় প্রশাসন, আইন, সমাজ বিজ্ঞান, ইংরেজি, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং, ইলেকট্রিক্যাল ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং এবং ফার্মেসি বিভাগ। বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা প্রায় ৮ হাজার এবং পূর্ণকালীন শিক্ষক প্রায় ১৫০ জন। তাই সদ্য এইচএসসি পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো। ব্যবসায় প্রশাসন :এ বিভাগে ইংরেজি মাধ্যমে পাঠদান, পর্যাপ্ত কেসস্ট্যাডির ব্যবস্থা, চলমান বিষয়ের ওপর অ্যাসাইনমেন্ট, ক্লাস পার্টিসিপেশনের ব্যবস্থা, মিডটার্ম ও ফাইনাল পরীক্ষার জন্য পর্যাপ্ত প্রস্তুতির ব্যবস্থা, কম্পিউটার ও ইন্টারনেট ব্যবহারের ওপর জোর দেওয়া, ওয়ার্কশপ, সেমিনার, ইন্টার্নিশিপের ব্যবস্থা, মৌখিক পরীক্ষায় উপযোগী করে তোলা, ডিবেট ও সাংস্কৃতিক বিষয়ে উদ্বুদ্ধ করা ইত্যাদি। বর্তমানে ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ৪ বছর মেয়াদি বিবিএ দিবাকালীন ও সান্ধ্যকালীন প্রোগ্রাম, ১ বছর মেয়াদি এমবিএ এবং ২ বছর মেয়াদি ইএমবিএ প্রোগ্রাম চালু রয়েছে এবং ছাত্রছাত্রী ভর্তি চলছে। ফার্মেসি :দেশের মেধাবী ও পরিশ্রমী ছাত্ররা সময়োপযোগী এই শিক্ষার মাধ্যমে ফার্মাসিস্ট হিসেবে তৈরি হয়ে এই পেশা ও শিল্পকে দেশে ও দেশের বাইরে সুনাম অর্জন করতে সহায়তা করছে। এই বিভাগ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন ও বাংলাদেশ ফার্মেসি কাউন্সিল কর্তৃক স্বীকৃত। এতে রয়েছে সময়োপযোগী ও অনুমোদিত পাঠক্রম, আধুনিক ও পর্যাপ্ত যন্ত্রপাতি সমৃদ্ধ ল্যাবরেটরি এবং প্রয়োজনীয় ও আধুনিক পুস্তকসংবলিত গ্রন্থাগার। এ ছাড়া পুরো ক্যাম্পাসটি ওয়াইফাই হওয়ায় এখানে যত্রতত্র ইন্টারনেটে রিসার্চ করা যায়। কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারিং ও ইলেকট্রিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং :এই ইউনিভার্সিটির সবচেয়ে গর্ব হলো এর সারি সারি ল্যাব ও ক্লাসরুমসমূহ। এখানে কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধীনে তিনটি কোর্স চালানো হয় বিএসসি (অনার্স) ইন সিএসই (দিবা শাখা), বিএসসি (অনার্স) ইন সিএসই (সান্ধ্যকালীন/ডিপ্লে¬ামা) ও এমএসসি ইন সিএসই। ইলেকট্রিক্যাল ইলেকট্রনিক অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিং :বিভাগের অধীনে দুটি কোর্স চালানো হয়, বিএসসি (অনার্স) ইন ইইটিই (দিবা শাখা), বিএসসি (অনার্স) ইন ইইটিই (সান্ধ্যকালীন/ডিপ্লে¬ামা শাখা)। এই বিভাগে ডিগ্রি অর্জনকারী গ্র্যাজুয়েট একই সাথে ইলেকট্রিক্যাল ইলেকট্রনিকস্ অ্যান্ড টেলিকমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে সম্যক ধারণা লাভ করে। আইন বিভাগ :ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির আইন অনুষদ তাদের প্রতিষ্ঠাকাল থেকেই সফলভাবে তাদের কার্যক্রম পরিচালনা করছে। চাকরিজীবীদের সুবিধার্থে এখানে দিবা শাখার পাশাপাশি সান্ধ্যকালীন শাখাতেও পড়ালেখার সুযোগ রয়েছে। এ অনুষদে বর্তমানে প্রোগ্রাম চালু আছে। এসব বিষয়ে বিস্তারিত তথ্যের জন্য যোগাযোগ করা যেতে পারে এই ঠিকানায় :ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি, ৬৬ গ্রিনরোড, ঢাকা-১২০৫ অথবা বাড়ি-৪, সড়ক-১, ব্ল¬ক-এফ, বনানী, ঢাকা। মোবাইল :০১৬১১৩৪৮৩৪৪-৮। ফোন :৯৮৫৮৭৩৪-৫। ঢাকার বনানীতে ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি একটি নিজস্ব ভবন আছে। এ ছাড়াও সাভারের বলিয়ারপুরে প্রায় ৮ একর নিজস্ব জমি আছে। সম্প্রতি দ্রুত স্থায়ী ক্যাম্পাস নির্মাণের জন্য ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ঢাকার বাড্ডার সাঁতারকুলে এক একরের অধিক জায়গা ক্রয় করেছে এবং গত বছর ৭ এপ্রিল থেকে স্থায়ী ক্যাম্পাসের নির্মাণের কাজ শুরু করেছে।