তরুণকণ্ঠ নিয়ে মতামত
প্রকাশে সাহায্য নিতে
পারেন জনপ্রিয়
ওয়েবসাইট
ফেসবুকের।
তরুণকণ্ঠের বন্ধু হতে
লগ ইন করুন w w w. face book. com /torun . kontho
প্রতিদিনের
তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্
শো না র গা ন
অসমাপ্ত ২
ব্যান্ড :অর্থহীন
প্রকাশনায় :ডেডলাইন মিউজিক
প্রকাশকাল :২০১১
গানের কথা : দীর্ঘ চার বছর পর অর্থহীনের নতুন গান শুনতে পাবেন শ্রোতারা। বর্তমান সময়ে অ্যালবাম প্রকাশের বিকল্প পন্থা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে সেলফোনে নতুন গান প্রকাশের বিষয়টি। অর্থহীনের ‘অসমাপ্ত-২’ অ্যালবামটি বাংলালিংকের সৌজন্যে সেলফোনে প্রকাশ পায় আগে। পরে সেটি অ্যালবাম হিসেবে বাজারজাত করা হয়। গানগুলোর সুর-সংগীতায়োজন করেছেন অর্থহীনের দলনেতা সুমন।
কেন শুনবেন
অর্থহীনের আর সব গানের মতোই এই গানগুলোও মন জুড়াবে ভক্তদের। নীরবে একাকী হেডফোনে বসে শোনার গান যেমন এ অ্যালবামে রয়েছে, তেমনি রয়েছে বন্ধুরা একসাথে গিটার বাজিয়ে গাওয়ার মতো গান।
০০০
দে খা র ছ বি
অ্যাটোনমেন্ট
পরিচালক :জ’ রাইট
কাহিনী :ইয়ান ম্যাকইউয়ান
অভিনয় করেছেন :কিরা নাইটলি, জেমস ম্যাকঅ্যাভয়, সাইর’স রোনান প্রমুখ।
ছবির কথা :এটি একটি ব্রিটিশ ফিল্ম। অভিনয় করেছেন ‘প্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’-এর সেই সুন্দরী কিরা নাইটলি। অসাধারণ সব ল্যান্ডস্কেপ আর যুদ্ধোত্তর ধংসস্তূপের বাস্তব চিত্র ফুটে উঠেছে মুভিটিতে। একই নামের উপন্যাসের সাথে সামঞ্জস্য রেখেই এই মুভিতে চারটি অংশ। সময়টা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ পূর্ব থেকে শুরু করে ১৯৯৯
সাল পর্যন্ত।
কেন দেখবেন :ভালোবাসার যে আবেগ তা সহজেই ছুঁয়ে যায় ছবিটি দেখার পর। ভালো লাগবে সব বয়েসী তরুণ-তরুণীদের।
০০০
প ড়া র ব ই
দ্য সেভেন হ্যাবিটস অব টিনস
নাম :দ্য সেভেন হ্যাবিটস অব টিনস
লেখক :সিন কভি
প্রকাশকাল :১৯৯৮
বইয়ের কথা
এ বইটি টিনএজারদের জন্য অত্যন্ত ভালো একটি বই। লেখক এতে টিনএজারদের জন্য ৭টি বিশেষ অভ্যাসের কথা বলেছেন। যাতে করে তারা সবার মাঝে নিজেকে প্রকাশ এবং প্রভাব বিস্তার করতে পারে। বইটিতে তাদের বিভিন্ন অভ্যাস, ভালো-খারাপ দুটোই, তুলে ধরা হয়েছে এবং বিশ্লেষণ করে দেওয়া আছে। বিভিন্ন অভ্যাস পরিবর্তন বা উন্নত করার প্রক্রিয়া খুবই গোছাল ও সাবলীলভাবে বর্ণনা করা আছে এ বইটিতে।
কেন পড়বেন :নিজের একজন বিশ্বস্ত বন্ধুর মতো বইটি সব পরামর্শ দেবে আপনাকে। টিনএজার কাউকে গিফট দেওয়ার জন্যও পারফেক্ট একটা বই ‘দ্য সেভেন হ্যাবিটস অব টিনস’।
০০০০
ঐ তি হ্য
মনোভাব ভালো রাখতে...
সাত সকালে হরতালের মধ্যে অফিসে এসে এক সহকর্মীর কথা শুনে জয়ার মেজাজটাই গেল বিগড়ে। নাহ! আজ মনে হয় আর কোনো কাজেই মন বসবে না। সারাদিন মুড অফ থাকলে, তার প্রভাব অন্যদের ওপর পড়তে পারে। তার কিছু উপায় জেনে রাখি—
যে বিষয়ে মন খারাপ, বিষয়টি নিয়ে বেশি মাথা ঘামাবেন না।
মুড অফ নিয়ে কাজে মনোযোগ দেওয়ার চেষ্ট করলে ফলাফল হবে বিপরীত।
আগে মন ভালো করার চেষ্টা করুন।
পছন্দের কারও সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প করে দেখুন, মন অনেক হালকা লাগবে।
চা খান, পারলে বাইরে থেকে ঘুরে আসুন।
