গলাচিপা লঞ্চঘাটে জোয়ার ভাটায় যাত্রীদের দুর্ভোগ

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০১৩, ২২:৩০
দুর্ভোগের অপর নাম গলাচিপা লঞ্চঘাট। বর্ষা মৌসুমে পূর্ণিমা ও অমাবশ্যার জোঁ-এর সময় তিন থেকে চার ফুট পানির নিচে তলিয়ে থাকে টার্মিনালের জেটি। অন্যদিকে শুকনো মৌসুমে পন্টুন ঠেকে থাকে বালুচরে। পন্টুনে ভিড়তে না পেরে মাঝ নদীতে নোঙর করে থাকে বিভিন্ন রুটে চলাচলকারী লঞ্চগুলো। এ কারণেই সারা বছর লঞ্চে ওঠানামা করতে যাত্রীদের ভোগান্তিতে পড়তে হয়। লঞ্চে ওঠানামা করতে যাত্রীদের ব্যবহার করতে হয় নৌকা। একদিকে যাত্রীদের নৌকা ভাড়াও দিতে হয় আবার পন্টুনের ইজারাদার আদায় করে ঘাট টিকেটের টাকা। এ ঘাটে চলতি বছর ইজারা বাবদ সরকারি কোষাগারে জমা হয়েছে প্রায় ১৯ লাখ টাকা। সূত্র জানায়, পানির উচ্চতার কথা বিবেচনা করে প্রয়োজনীয় পরিমাণ উঁচু করে জেটি নির্মাণ করা হয় না। গত শুকনো মৌসুমে পটুয়াখালী পোর্ট অফিস থেকে ৮০ ফুট কাঠের জেটি নির্মাণ করা হলেও তা যাত্রীদের কোন উপকারে আসেনি। এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান, সচিব ও পরিচালক বরাবর প্রতি বছর একাধিকবার আবেদন করা হয়। কিন্তু কোন প্রতিকার মেলেনি। পটুয়াখালী পোর্ট অফিসার বদরুল আলম জানান, বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। কিন্তু তারা কোন কার্যকরি পদক্ষেপ নিচ্ছে না। ঘাটের ইজারাদার ইব্রাহিম দফাদার জানান, টার্মিনাল পন্টুনের সামনে বিশাল চরের সৃষ্টি হওয়ায় ব্যবসায়ীরা বিকল্প হিসাবে কার্গোতে মালামাল পরিবহন করছে। এভাবে চলতে থাকলে লোকসান গুণতে হবে ইজারাদারকে। দোতলা লঞ্চের তত্ত্বাবধায়ক মজিবর রহমান বলেন, যাত্রীদের সুবিধার জন্য চরের মধ্যে আরসিসি গাইড ওয়াল দিয়ে পাকা রাস্তা এবং জেটি উঁচু করে নির্মাণ করা হলে যাত্রীদের দুর্ভোগের লাঘব হবে।