চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে সোমবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সায়মা নামে এক তরুণী অভিযোগ করেছে যে, তার প্রবাসী বাবা-মা জামায়াতের নাশকতামূলক তত্পরতায় অর্থ যোগান দিয়ে থাকে। চাঞ্চল্যকর এই তথ্য প্রদান করে সায়মা তার বাবা-মাকে গ্রেফতার ও বিচারের দাবি জানান।
সায়মা সংবাদ সম্মেলনে আরো জানান, তার ওমান প্রবাসী বাবা মফিজুর রহমান হুন্ডির মাধ্যমে বাংলাদেশে জামায়াত শিবিরের কাছে অর্থ পাঠিয়ে থাকেন। তার বাবা-মা জামায়াতে ইসলামের ওমান শাখার নেতা- নেত্রী।
সায়মা জানান, ২০১২ সালের ৪ ডিসেম্বর বাবা-মাকে না জানিয়ে তিনি আগ্রাবাদ কাপুরিয়াপাড়ার প্রতিবেশী মুক্তিযোদ্ধা কে.এম জামানের ছেলে সাবেক ছাত্রলীগ নেতা হাসানুজ্জামান আরমানকে বিয়ে করে। বিয়ের কিছুদিন পর তিনি বাবা-মার সাথে ওমান চলে যান। পরে বিষয়টি জানাজানি হলে প্রবাসেই সায়মার উপর মানসিক ও শারীরিক নির্যাতন শুরু করে তার বাবা-মা। সায়মা আরো জানায়, বাবা-মার নির্যাতন সহ্য করতে না পেরে গত ৪ জুলাই তিনি গোপনে দেশে ফিরে আসেন। ১৪ জুলাই তার মায়ের দায়ের করা নারী ও শিশু নির্যাতন মামলায় স্বামীসহ গ্রেফতার হন তিনি। পরে আদালত জামিন দিয়ে তাকে শ্বশুর-শাশুড়ির হেফাজতে পাঠিয়ে দেয়। কিন্তু স্বামী এখনো মুক্তি পায়নি।
সায়মা লিখিত বক্তব্যে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীসহ সংশ্লিষ্ট আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে জামায়াত শিবিরের সন্ত্রাসীদের হাত থেকে তার স্বামী-শ্বশুর পরিবারকে রক্ষা করার আকুল আবেদন জানান। ১৮ আগস্ট এ ব্যাপারে ডবলমুরিং থানায় একটি জিডি করা হয়েছে।
