স্বামী কিংবা স্ত্রীর মধ্যে কেউ একজন পরকীয়া করলে উভয়ের কেউই সহ্য করতে পারেন না। তাও আবার সেটা গোপনে হলেও কথা থাকে। কিন্তু নিজের জ্ঞাতসারে স্ত্রী যদি অন্য কারো সঙ্গে মেলামেশা করে তাহলে বেশিরভাগক্ষেত্রে বিপত্তিই ঘটে। সিনেমায় যদি কোনো নায়িকাকে দুইজন পুরুষ ভালবাসে তাহলে পরিচালক কোনো কোনোভাবে একজনকে মেরেই ফেলেন। তবে এবার সিনেমার কাহিনীতে হয়তো পরিবর্তন ঘটবে। আর এই পরিবর্তনের দিকে নিয়ে গেল কেনিয়ার দুই পুরুষ।
চার বছরের বেশি সময় ধরে এক নারীকে সিলভেস্টা মিয়ন্ডা এবং এলিজাহ কিমানি নামের দুই পুরুষ ভালোবেসে আসছে। দুইজনই তাকে বিয়ে করতে চায়। এনিয়ে অনেক দ্বন্দ্বের পর সিদ্ধান্ত হয়, মেয়েটির পছন্দই এক্ষেত্রে প্রাধান্য পাবে। কিন্তু মেয়েটি দুইজনের মধ্যে একজনকে বেছে নিতে রাজি হলো না। সুতরাং সমস্যা আরো বাড়লো। অত:পর দ্বন্দ্ব ঝেড়ে ফেলে শান্তি আনতে তারা উদ্ভট এক সিদ্ধান্তে পৌছালেন যে, তারা উভয়েই নিজেদের প্রিয় মানুষটিকে বিয়ে করবে! এ লক্ষ্যে তারা এক চুক্তিপত্রে স্বাক্ষর করে। চুক্তি অনুযায়ী, মিয়ন্ডা এবং কিমানি বিয়ের পর স্ত্রীর বাসায় একসঙ্গে থাকবে। তাদের ঘর আলোকিত করে যে সন্তান আসবে তা তারা একসঙ্গে দেখাশুনা করবে। কেনিয়ার আইনজীবীরা বলছেন, ওই তিনজন যদি প্রমান করতে পারে যে বহুভর্তৃকা (এক নারীর একাধিক স্বামী) তাদের সমাজ প্রথায় ছিল তবেই এই বিয়ে আইনগতভাবে বৈধতা পাবে। -বিবিসি
