মধুখালিতে নেরিকা ধান চাষে দ্বিগুণ ফলন লাভ

আপডেট : ২৬ আগস্ট ২০১৩, ২৩:১৫
মধুখালীতে স্থানীয় জাতের ধানের পরিবর্তে নেরিকা জাতের ধান উত্পাদন করে চাষিরা দ্বিগুণ ফলন পেয়েছেন। ১ একর ৪০ শতাংশ জমিতে প্রদর্শনী প্লট এ পরীক্ষামূলকভাবে নেরিকা ধান চাষ করে চাষিরা। গতকাল সোমবার এসব জমির ধান কাটা অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এর উত্পাদন পরীক্ষা করা হয়। উপজেলার জাহাপুর ইউনিয়নের কোঠুরাকান্দি গ্রামে নেরিকা-১০ জাতের প্রদর্শনী খামার চাষি নিখিল কুমার দাস, গৌরী দাস, নিবাস দাস, অসীম চৌধুরী ও কৃষক সোহরাব মাতবর জানান, ১ একর ৪০ শতাংশ জমিতে সরকার তাদের বিনামূল্যে বিঘা প্রতি বিভিন্ন ধরনের ৫০কেজি সার এবং জমি পরিচর্যা ও সেচ ব্যবস্থার জন্য নগদ ৬শ’ করে টাকা দেয়। এ জাতের ধান চাষ করে ১১৩ দিনে প্রতি বিঘায় প্রায় ১৮ মণ ধান পাওয়া সম্ভব। অথচ স্থানীয় জাতের ধান চাষে ১৩৫ দিনে ঠিক মাত্র ৮ মণ ধান পাওয়া সম্ভব। মধুখালী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ জানান, কৃষকদের আউশ চাষে উত্সাহিত করার জন্য সরকার এই কৃষি প্রণোদনার ব্যবস্থা নিয়েছেন। কৃষি মন্ত্রী আফ্রিকা থেকে নেরিকা-১০ জাতের ধান এ দেশে নিয়ে আসেন। এ জাতের ধান খরা সহিষ্ণু বলে সেচ কম লাগে। ধান কাটা অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা কৃষি সমপ্রসারণ কর্মকর্তা মো. জাহিদুল করিম, ব্লক উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নাদিরা বেগমসহ উপজেলার সকল ব্লকের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ ও স্থানীয় চাষিরা।