মিসরের একটি পুরোনো জিনিসের দোকানে এক পর্যটক ঢুকলেন। দোকানদার এগিয়ে এসে তাকে নানান জিনিস দেখাতে লাগল। সামনের একটি শো-কেসে একটি নর করোটি দেখতে পেয়ে পর্যটক জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই করোটি কার?’ ‘এটি মহারানি ক্লিওপেট্রার’, সবিনয়ে জানাল দোকানদার। কিছুক্ষণ পর ঘুরতে ঘুরতে আর একটি খুলি চোখে পড়ল পর্যটকের। আগেরটির চেয়ে এই করোটি আকারে সামান্য ছোট। পর্যটক জিজ্ঞেস করলেন, ‘এই করোটি কার?’ দোকানদার বলল, ‘এটিও মহারানি ক্লিওপেট্রার হুজুর। তবে এটা তার ছোটবেলার করোটি!’
এক ভদ্রলোক মস্কো থেকে দীর্ঘপথ পাড়ি দিয়ে পুশকিনোতে এসেছেন তার পীড়াদায়ক দাঁতটি তুলে ফেলার জন্য। পুশকিনোর ডেন্টিস্ট তাকে বললেন, ‘মস্কোতেই তো অনেক ডেন্টিস্ট আছে। দাঁত তোলার জন্য এত দূরে আসার কী দরকার ছিল?
লোকটির উত্তর, আমাদের ইচ্ছা-অনিচ্ছা মূল্যহীন ডাক্তার। মস্কোতে আমাদের মুখ খোলার অনুমতি নেই।’
টাইম মেশিনে চড়ে হোজ্জা আর রাজসভার এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা একবার সিঙ্গাপুরে এসে উপস্থিত প্রাচীন আরবের ঐতিহ্য বিষয়ক এক সম্মেলনে। সম্মেলন শেষে চুইংগাম চিবুতে চিবুতে দুজন পথ হাঁটছেন। তারা সে দেশের আইন-কানুন ঠিক জানতেন না। যেই থুঃ করে চুইংগাম রাস্তায় ফেলেছেন সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ এসে তাদের গ্রেফতার করল। বিচারে দুজনের শাস্তিও হলো; দুজনের পিঠে পঁচিশটি করে বেত্রাঘাত। কিন্তু যেহেতু তারা একসময়ের গণ্যমাণ্য ব্যক্তি সেজন্য বিচারক হুকুম দিলে ব্যথা কমানোর জন্য তারা যা চাইবেন তাই যেন তাদের দেওয়া হয়। প্রথমে রাজসভার উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার বেত্রাঘাত পাওয়ার পালা। তিনি নিলেন মখমলের বালিশ। ফলে তার পিঠে কোনো আঁচড়ই লাগল না। এবার হোজ্জার পালা। এমনিতে রাজার হুকুমে ঐ কর্মকর্তার সাথে আসতে বাধ্য হলেও মনে মনে তাকে একেবারেই সহ্য করতে পারতেন না হোজ্জা। তাই তাকে যখন জিজ্ঞাসা করা হলো আপনি কী চান তখন তিনি বললেন, ‘আমি আমার সাথে থাকা রাজসভার এই কর্মকর্তাকে আমার পিঠে বেঁধে নিতে চাই!’
