মধ্যপ্রাচ্যের দুর্দশার জন্য বহিরাগতরা দায়ী :খামেনী

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০১৩, ২১:১১
মধ্যপ্রাচ্যের বিশৃঙ্খলার জন্য এই অঞ্চলের সমস্যায় জড়িয়ে পড়া বহিরাগত দেশগুলোকে দায়ী করলেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। চরমপন্থি সুন্নি ইসলামপন্থিদের সমর্থন দেয়া আঞ্চলিক দেশগুলো পরে নিজেরাই ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলেও সতর্ক করেন তিনি। সোমবার তেহরান সফরকালে ওমানের সুলতান কাবুসের সঙ্গে এক বৈঠকে খামেনি এসব কথা বলেন বলে ইরানের রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা ফার্স জানিয়েছে। খামেনি বলেন, এই অঞ্চলে বিদ্যমান পরিস্থিতির পেছনে প্রধান কারণ এই অঞ্চলের বাইরের দেশগুলোর নাক গলানো। গণমাধ্যমগুলোর ধারণা, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের বিরোধ কমিয়ে আনাই ওমানি সুলতানের এই তেহরান সফরের উদ্দেশ্য। কিন্তু খামেনির এমন মন্তব্যে ওমানি সুলতানের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হবে বলেই ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। তার অপর মন্তব্যটি মধ্যপ্রাচ্যের সুন্নি রাষ্ট্রগুলো বিশেষভাবে সৌদি আরব, কাতার ও তুরস্ককে উদ্দেশ্য করে করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই দেশগুলো শিয়া ইরানের ঘনিষ্ঠ মিত্রদেশ সিরিয়ার শিয়া প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদের বিরুদ্ধে লড়াইরত সুন্নি বিদ্রোহীদের সমর্থন দিয়ে আসছে। তিনি বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে, আঞ্চলিক কয়েকটি রাষ্ট্রের সমর্থনে একটি তাকফিরি গোষ্ঠী গঠন করা হয়েছে যারা সব মুসলিম গোষ্ঠীগুলোর সঙ্গে লড়াই করছে। কিন্তু এদের সমর্থকদের বোঝা উচিত এই আগুন একদিন তাদেরও পোড়াবে। চরমপন্থি সুন্নি ইসলামপন্থিদের অবজ্ঞা করে “তাকফিরি” শব্দটি ব্যবহার করা হয়। যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপীয় শক্তিগুলোকে মধ্যপ্রাচ্যে “নাক গলানো” বন্ধ করতে প্রায়ই আহ্বান জানান ইরানের সর্বোচ্চ নেতা খামেনি ও দেশটির অন্য শীর্ষ কর্মকর্তারা। এই অঞ্চলের কর্তৃত্ব গ্রহণের চেষ্টার জন্য পশ্চিমা ওই দু’পক্ষকে অভিযুক্ত করেন তারা।