উত্তর কোরিয়ার জাহাজ চং চন গ্যাংয়ে কিউবার অঘোষিত অস্ত্র পাওয়ার বিষয়টিকে পিয়ংইয়ংয়ের উপর জাতিসংঘের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞার ‘সন্দেহাতীত লঙ্ঘন’ হিসেবে মনে করছে পানামা। দেশটির জননিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, পানামাকে দেয়া জাতিসংঘের বিশেষজ্ঞদের খসড়া প্রতিবেদনেও নিষেধাজ্ঞা লঙ্ঘনের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়েছে। জাহাজের ৩৫ জন নাবিককে সহায়তা দেয়ার জন্য উত্তর কোরিয়ার দুইজন কূটনীতিক পানামায় অবস্থান করছেন।— খবর বিবিসির।
মাদক বহন করছে এমন সন্দেহে গত জুলাইয়ে পানামা খাল অতিক্রম করার সময় জাহাজটি আটকানো হয়। এদিকে, কিউবা বলছে অস্ত্রগুলো মেরামতের জন্য উত্তর কোরিয়া পাঠানো হচ্ছিল। তবে অস্ত্রগুলো কেন টনকে টন চিনির আড়ালে ছিল এ ব্যাপারে কিছু বলেনি কিউবা। পানামার জননিরাপত্তা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা প্যানেল একটি খসড়া প্রতিবেদন তৈরি করে তা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দিয়েছে।
কর্তৃপক্ষ জানায়, ২৫টি কন্টেইনারে সামরিক সরঞ্জাম, সোভিয়েত আমলে প্রস্তুত দুইটি মিগ-২১ যুদ্ধ বিমান, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, মিসাইল এবং এটি নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালন ব্যবস্থা পাওয়া গেছে জাহাজটিতে। উত্তর কোরিয়ার দুইজন কূটনীতিক জাহাজের নাবিকদের সঙ্গে দেখা করার পরপরই পানামা এই প্রতিক্রিয়া জানাল। অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগে নাবিকদের আটক রাখা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তাদের ১২ বছরের শাস্তি ভোগ করতে হবে।
