২০০৫ সালের কথা। স্কুলের ক্লাস শেষে কেশা বেলমন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে যেতেন স্নায়ু যুদ্ধের ইতিহাস ক্লাসের লেকচার শুনতে। নিজের আগ্রহ থেকেই এমনটি করতেন। একসময় তার সঙ্গে পরিচয় হয় ড. লুক ও ম্যাক্স মার্টিনের। কেশা প্রায়ই গুনগুনিয়ে গান গাইতেন। সেই গান শুনে লুক ও মার্টিন তাকে সংগীত নিয়ে সিরিয়াসলি চিন্তা করতে বলেন। কথা রাখেন কেশা। অবশ্য এ জন্য তাকে নানা সময় নানা পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হয়েছে। কখনও করতেন হোটেল পরিচারিকার কাজ, কখনোবা টেলিমার্কেটিং। গানের জন্য মনের ভেতর গোপন ভালোবাসা পুষে রেখে এভাবেই এগোচ্ছিলেন। গান গাওয়া, গানের অ্যালবাম বের করার সুযোগ খুঁজছিলেন। মনে মনে চাইতেন সংগীতশিল্পী ও সংগীত পরিচালক প্রিন্স তার গান প্রযোজনা করুক। সে আশায় সুযোগ বুঝে একদিন প্রিন্সের বেভারলি হিলসের বাসায় দেখাও করতে গিয়েছিলেন। কিন্তু ফিরে এসেছিলেন হতাশ হয়ে। তারপরও হাল ছাড়েননি। নানাভাবে সুযোগ খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন কেশা। এরই মাঝে প্যারিস হিলটনের গান ‘নাথিং ইন দিজ ওয়ার্ল্ড’-এর ব্যাকগ্রাউন্ডে গাওয়ার সুযোগ পেয়ে যান। তার সম্পর্কে আরও জানতে :http://www.biography.com/people/kesha-562676
