অনেক সময়ই মনে হয় আমি হয়তো কাজটি করতে পারব না, আমাকে দিয়ে হবে না, আমি এর যোগ্য না। জানেন তো এর মাধ্যমে সহজইে আপনি নিজের উপর থেকে আস্থা হারিয়ে ফেলেন। নিজের আত্মবিশ্বাসকে নিজেই জলাঞ্জলি দিচ্ছেন। চলুন দেখা যাক, আপনার মনের অবস্থা কী।
১. নতুন কেনা পোশাকটিতে নজরে না পড়ার মতো দাগ রয়েছে। আপনি তখন—
ক. সাথে সাথে ছুটবেন পাল্টানোর জন্য।
খ. ‘ঝামলোর দরকার নেই’ বলে রেখে দেবেন।
গ. দাগ তোলার চষ্টো করে দম হারিয়ে ফেলবেন।
২. পর পর দুইদিন ফ্রেঞ্চ ক্লাসে গিয়ে দেখলেন, ভাষাটা বশে আনা কঠিন। আপনি—
ক. ফ্রেঞ্চ শেখাই ছেড়ে দেবেন।
খ. ক্লাসে যান কিন্তু উত্সাহ পান না।
গ. বিষয়টা আয়ত্ত করতে আদা-জল খেয়ে লাগবেন।
৩. বন্ধুরা মিলে পিকনিকে যাবেন। যাওয়ার দিন ঝুম বৃষ্টি। কী করবেন—
ক. দু-একজন বন্ধুকে ফোন করে পরার্মশ নিতে চেষ্টা করবেন।
খ. যাওয়ার আশা একেবারেই ছেড়ে দেবেন।
গ. বৃষ্টি মাথায় করে বেরিয়ে পড়বেন।
৪. আপনার বোনকে এমবিএ’তে ভর্তি হতে রাজি করানোর জন্য আপনার উপর দায়িত্ব দেওয়া হলো। আপনি—
ক. অন্য কারো শরণাপন্ন হবেন।
খ. ওর সমস্যা কী তা আগে বুঝবেন। এরপর সমস্যা বুঝে সমাধানের পথে হাঁটবেন।
গ. বোঝানোর চেষ্টাই ছে েদেবেন।
৫. বন্ধুর অতিরিক্ত ধূমপান করার প্রবণতা কমানোর চেষ্টা করে সফল হচ্ছেন না—
ক. অভিমানে কিছু বলাই ছেড়ে দেবেন।
খ. শুভাকাঙ্ক্ষীদের সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে দেখবেন কী করা যায়।
গ. প্রায়ই ক্ষোভ প্রকাশ করবেন ও কী করবেন ভেবে পান না।
৬. শত চেষ্টা করেও সংসার খরচ বাজেটের মধ্যে রাখতে পারছেন না, আপনি—
ক. আদা-জল খেয়ে লাগেন সংসারের খরচ কমাতে।
খ. পরিবারের সবার সঙ্গে চিত্কার-চেঁচামেচি করেন।
গ. বাজটে করাই ছেড়ে দেন।
ফলাফল
৩০-৫০ :আপনি আসলে হার মানা মানুষ। দম ধরে রাখতে পারেন না। উদ্যমী হয়ে উঠতে পারেন না। আপনাকে জীবনে ব্যর্থতা মেনে নিতে হবে।
৫০-৭০ :আপনি যে একেবারে উদ্যমী নন, তা নয়। তবে কী করবেন, বুঝে উঠতে পারছেন না। ফলে তাড়াতাড়ি ব্যর্থতা মেনে নেন। এই ঝোঁকটা স্বভাবে থাকা কিন্তু বিপজ্জনক।
৭১-৯০ :বিনাযুদ্ধে মাঠ ছাড়ার পাত্র আপনি নন, জয় সব সময় আপনার হাতরে মুঠোয় ধরা দেয় না, তবু আপনি হাল
ছাড়েন না।
আপনার স্কোর
ক খ গ
১. ১৫ ৫ ১০
২. ৫ ১০ ১৫
৩. ১০ ৫ ১৫
৪. ১০ ১৫ ৫
৫. ৫ ১৫ ১০
৬. ১৫ ১০ ৫
