তারুণ্যের অন্যলোক

আপডেট : ৩০ আগস্ট ২০১৩, ২০:৩২
প্রতিদিনের তারুণ্যময় জীবনে লাইফস্টাইল, ফ্যাশন আর নানা বিষয় নিয়ে তরুণদের জন্য এক আলাদা জগত্ প ড়া র ব ই ব্যোমকেশ বক্সী লেখক :শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায় বইয়ের কথা :বাংলা সাহিত্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ গোয়েন্দা চরিত্র শরদিন্দু বন্দোপাধ্যায়ের ‘ব্যোমকেশ বক্সী’ বয়সে যিনি ফেলুদার থেকেও সিনিয়র। গোয়েন্দাগিরি করলেও নিজেকে কখনোই গোয়েন্দা হিসেবে পছন্দ করতেন না ব্যোমকেশ। নিজেকে তিনি বলতেন সত্যান্বেষী ব্যোমকেশ বক্সী। সত্যজিত্ রায় ব্যোমকেশ সিরিজের গল্প অবলম্বনে চিড়িয়াখানা নামে একটি সিনেমা তৈরি করেছিলেন। সংক্ষিপ্ত এবং সহজ ভাষার কারণে টানটান উত্তেজনাপূর্ণ গল্পগুলো খুব অল্প সময়ে পড়া হয়ে যায়। ‘সত্যান্বেষী’ ব্যোমকেশ সিরিজের প্রথম গল্প। কেন পড়বেন :শরদিন্দুর লেখা খুব সাবলীল। তার লেখা কিছু উপন্যাস থেকে ফিল্ম তৈরি করেন বিখ্যাত চলচ্চিত্রকার সত্যজিত্ রায় ও তপন সিনহা। পরে আরও অনেকেই লেখকের বিভিন্ন উপন্যাস থেকে ফিল্ম তৈরি করেছেন। == দে খা র ছ বি জীবন থেকে নেয়া কাহিনী, প্রযোজনা ও পরিচালনা :জহির রায়হান ছবির কথা :পরিচালক একটি পরিবারের এক সার্বভৌম মহিলাকে চিহ্নিত করেছেন তত্কালীন পাকিস্তানের রাষ্ট্রপতি আইয়ুব খানের রাজনৈতিক একনায়কতন্ত্রের রূপক অর্থে। দুইটা সমান্তরাল কাহিনী একসাথে দেখানো হয়েছে ‘জীবন থেকে নেয়া’ ছবিতে। ঘরের বাইরে রাজনৈতিক অস্থিরতা, আর ঘরের ভিতরে পরিবারের সদস্যদের উপর গৃহকর্ত্রীর অত্যাচার। ছবিতে ১৯৬৯-এর গণঅভ্যুত্থানের কিছু তথ্যচিত্র দেখানো হয়েছে। কেন দেখবেন :যুদ্ধ পরিস্থিতির সময় ‘জীবন থেকে নেয়া’ চলচ্চিত্রটি মুক্তি পায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পিছনে বড় ধরনের ভূমিকা রয়েছে এই ছবির। === গুণীজন লুই আই কান চাকচিক্য আর ইট-কংক্রিটের হিসাব-নিকাশের বাইরে গিয়ে যারা ভিন্নধারার স্থাপত্যশৈলী পৃথিবীকে উপহার দিয়েছেন, আমেরিকার লুই আই কান তাদের অন্যতম। কানের জন্ম ১৯০১ সালে, সাবেক সোভিয়েত রাশিয়ার এস্তোনিয়ায়। ১৯২৪ সালে পেনসিলভানিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করার পর দুনিয়া চষে বেড়িয়েছেন। ১৯২৮ সালে তিনি আগ্রহী হয়ে ওঠেন স্থাপত্যবিদ্যায়। ১৯২৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রে ফেরার পর ১৯৩২ সালে আরেক স্থপতি ডোমিনিক বারনিনজারের সঙ্গে আর্কিটেকচারাল রিসার্চ গ্রুপ গড়ে তোলেন। তাকে ‘স্থাপত্যের দার্শনিক’ বলা হয়। কানের উল্লেখযোগ্য সৃষ্টির মধ্যে প্রথমেই আসে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের কথা। তার নকশা অনুসারে ১৯৮২ সালে শেষ হয় এর নির্মাণকাজ। ১৯৭৪ সালে বাংলাদেশে কাজ শেষে ফেরার পথে নিউ ইয়র্কের পেনসিলভানিয়া স্টেশনে হূদযন্ত্রের ক্রিয়া বন্ধ হয়ে তার মৃত্যু হয়। === আবিষ্কার বাইসাইকেল ১৮১৬ সালে সর্বপ্রথম জার্মানিতে সাইকেলের উদ্ভব হয়। সে সময় সাইকেলের কোনো প্যাডেল, গিয়ার, টায়ার, চেইন ইত্যাদি যন্ত্রাংশ ছিল না। সর্বপ্রথম সাইকেল উদ্ভাবক কার্ল ভন ডেভিস ১৮১৮ সালে সর্বপ্রথম তার তৈরিকৃত সাইকেল প্যারিসে জনসম্মুখে নিয়ে আসেন। প্যাডেলহীন এই সাইকেলেরে সিটে বসে মাটিতে পা লাগিয়ে ঠেলে ঠেলে চালাতে হতো। এজন্য ইংল্যান্ডে ব্যঙ্গ করে সাইকেলকে বলা হতো ‘ডান্ডি হর্স’ বা শৌখিন বাহন। সর্বপ্রথম এই সাইকেলের চাকা ছিল তিনটি। এরপর ১৮৬০ সালে প্যাডেল জুড়ে দেওয়া হয় সাইকেলে। তবে চাকার সংখ্যা তিন থেকে কমিয়ে একে নিয়ে আসা হয়। ১৮৬১ সালে প্যাডেল লাগানো হলেও সেটিতে চেইন লাগানো ছিল না। ১৮৮০ সালে সর্বপ্রথম সাইকেলের দুই চাকা সমান পর্যায়ে নিয়ে আসা হয় এবং চেইন ও টায়ার লাগানো হয়।