বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস লিমিটেড কোম্পানির সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারী বিশেষত অবসরভোগীরা বিমানের বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত এবং বিশাল বৈষম্যের শিকার। যেমন সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় ২ ডিসেম্বর ২০০৯ তারিখে বাংলাদেশ গেজেটে অবসরভোগী পেনশনারদের পেনশন ও গ্রাচুয়িটির হার পুননির্ধারণ করে একটি অধ্যাদেশ জারি করে। ঐ অধ্যাদেশের ৪ (খ) -এ উল্লেখ করা হয় যে, ক) অবসরভোগী ৬৫ বছর ঊর্ধ্ব কর্মকর্তা-কর্মচারীর নীট পেনশনের পরিমাণ ৫০% বৃদ্ধি এবং অন্যদের ক্ষেত্রে নীট পেনশনের পরিমাণ ৪০% বৃদ্ধি পাবে। খ) ৬৫ বছর ঊর্ধ্ব পেনশনারদের চিকিত্সাভাতা মাসিক ১০০০ টাকা এবং অন্য পেনশনারদের ক্ষেত্রে মাসিক চিকিত্সাভাতা ৭০০ টাকা হবে। অত্যন্ত পরিতাপের বিষয়, অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা ঐ আদেশ এ পর্যন্ত বিমানে কার্যকর হয়নি। অথচ ন্যাশনাল পে-স্কেল ২০০৫ অবিকল একইরূপ আদেশ কার্যকর করা হয়। ২০০৫ সালের ন্যাশনাল পেস্কেল কার্যকর করা হলে ২০০৯ সালের পে-স্কেল কার্যকর করতে বাধা কোথায় তা বোধগম্য নয়। প্রসঙ্গত, সাধারণ অবসরভোগীদের সামান্য বর্ধিত পেনশন ও চিকিত্সাভাতা দিতে কার্পণ্য করা হলেও অবসরপ্রাপ্ত/ প্রয়োজনাতিরিক্ত পাইলট/ ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ারগণ সপরিবারে আজীবন বিনামূল্যে চিকিত্সা ও ওষুধ পেয়ে থাকেন।
একজন পাইলট/ফ্লাইট ইঞ্জিনিয়ার অবসর গ্রহণের পর প্রতি বছর ১) বিনামূল্যে ৪টি টিকেট, ২) শতকরা ৫% হারে ভাড়া প্রদান করে ৪টি এবং ৩) ৫০% হারে ভাড়া দিয়ে অগণিত টিকেট পেতে পারেন। যাঁরা ১৯৯৮ সালের আগে অবসর নিয়েছেন তাঁরাও ঐ সুবিধা পাবেন। পক্ষান্তরে অবসরপ্রাপ্ত সাধারণ কর্মকর্তা-কর্মচারী প্রতি বছর বিনামূল্যে একটি করে ২০ বছরে ২০টি টিকেট পাবেন। পরিচালনা পর্ষদ কর্তৃক অনুমোদিত অবসরভোগীদের রেয়াতি টিকেট প্রাপ্যতা পরিবর্তন করা হয়। পরিশেষে, অবসরভোগীদের ন্যায্য পাওয়া, বর্ধিত পেনশন ও চিকিত্সাভাতা এবং রেয়াতি টিকেট প্রাপ্যতা পুনঃপ্রর্ত্যপন করার জন্য বিমান কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত আবেদন জানাচ্ছি।
শফি-উল-ইসলাম,
আরেফা মঞ্জিল, মিরপুর ১১-এ, রোড ৯, লেন-৩, বাড়ি ৭, ঢাকা ১২১৬
